Wellcome to National Portal
তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
Text size A A A
Color C C C C

সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৫ জানুয়ারি ২০২৫

তথ্যবিবরণী ১৫ জানুয়ারি ২০২৫

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর: ২৩৬৭

 

তাসখন্দে ‘উজবেকিস্তানের চোখে বাংলাদেশ’ শীর্ষক আর্টক্যাম্প অনুষ্ঠিত

 

তাসখন্দ (উজবেকিস্তান), ১৫ জানুয়ারি:

 

          বাংলাদেশ দূতাবাস উজবেকিস্তান আজ ‘তারূণ্যের উৎসব-২০২৫’ উদ্‌যাপন উপলক্ষ্যে উজবেকিস্তান আর্ট একাডেমির সহযোগিতায় সেদেশের তরুণ চিত্রশিল্পীদের অংশগ্রহণে ‘উজবেকিস্তানের চোখে বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক আর্ট ক্যাম্পের আয়োজন করে। কূটনৈতিকবৃন্দ-সহ দেশটির চিত্রাঙ্কন ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

 

          রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম তরূণ শিল্পীদের মেধা, মনন ও সৃষ্টিশীলতার প্রশংসা করেন এবং সকলকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, তরুণ শিল্পীরা তাদের আন্তরিকতা ও দক্ষতার সাথে চিত্র কর্মের মাধ্যমে যেভাবে বাংলাদেশের প্রকৃতি ও সৌন্দর্যকে চিত্রায়িত করেছেন তা অভিভূত হওয়ার মতো। বাংলাদেশ-উজবেকিস্তানের মধ্যে বিদ্যমান ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সম্পর্ক ও সম্প্রীতির প্রতি আলোকপাত করেন। তিনি দু’দেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যকার যোগাযোগ ও বোঝাপড়াকে আরো সাবলীল ও নিবিড় করার ওপর রাষ্ট্রদূত গুরুত্ব আরোপ করেন। নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে ছাত্র-জনতা ও তরুণ সমাজের প্রত্যয় ও প্রতিশ্রুতির কথা বর্ণনা করেন।

 

রাষ্ট্রদূত দু’দেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে নিহিত সীমাহীন শক্তি, সাহস ও সম্ভাবনাকে যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে উভয় দেশ ক্রমর্ধমান বন্ধুপ্রতিম সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে সক্ষম হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ‘এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই’ এই চেতনায় উদ্বুব্ধ হয়ে উন্নত, সুখী ও সমৃদ্ধিশালী সমাজ, দেশ ও পৃথিবী গঠনে তিনি উপস্থিত সকলকে যার যার অবস্থান থেকে আরো বলিষ্ঠ ও কার্যকরী অবদান রাখার আহ্বান জানান।

 

উজবেকিস্তান আর্ট একাডেমির চেয়ারম্যান আকমল নূর এ উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য বাংলাদেশ দূতাবাসকে ধন্যবাদ জানান। তিনি চিত্রকলা ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ-উজবেকিস্তানের মধ্যে অভিজ্ঞতা ও শিক্ষার্থী বিনিময়-সহ বাংলাদেশের চিত্রশিল্পীদের অংশগ্রহণে উভয় পক্ষের সুবিধাজনক সময়ে তাসখন্দে একটি চিত্রকলা প্রদর্শনী আয়োজনের ব্যাপারে তাঁর আগ্রহ ও অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন।

 

একই দিনে দূতাবাস প্রাঙ্গণে উজবেকিস্তানের স্বনামধন্য একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহনে একটি ‘সৃজনশীল কর্মশালা’ এর আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নানা ধরনের চিত্রাঙ্কন, সংগীত, নৃত্য, মৃৎশিল্ল ও হস্ত শিল্পের নির্মাণশৈলী ও উপস্থাপনা দর্শকদের মুগ্ধ করে।

 

#

 

  বাংলাদেশ দূতাবাস, তাসখন্দ/রানা/রফিকুল/সেলিম/২০২৫/২২৩০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর: ২৩৬৬

 

বায়ুদূষণ, পলিথিন, জলাশয় ভরাট ও শব্দ দূষণবিরোধী

অভিযানে ৩৮ লাখ ৪৮ হাজার টাকা জরিমানা আদায়

 

ঢাকা, ১ মাঘ (১৫ জানুয়ারি):

 

আজ পরিবেশ অধিদপ্তর বায়ুদূষণ, নিষিদ্ধ পলিথিন, জলাশয় ভরাট এবং শব্দ দূষণের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী ১০টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে। অভিযানে ২৬টি মামলার মাধ্যমে মোট ৩৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

 

বায়ুদূষণকারী ইটভাটার বিরুদ্ধে রংপুর, বান্দরবান, ঝিনাইদহ ও ঢাকা জেলার আমিন বাজারে পরিচালিত ৪টি মোবাইল কোর্টে ১৩টি মামলার মাধ্যমে ৩৮ লাখ টাকা জরিমানা আদায়, ৫টি ভাটার কাঁচা ইট ধ্বংস, ১টি ইটভাটা উচ্ছেদ এবং ৩টি কিলন ভেঙে ফেলা হয়।

 

নগর বায়ুদূষণের বিরুদ্ধে ঢাকার কাজীপাড়ায় ১টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় ১টি মামলার মাধ্যমে ৫ হাজার  টাকা জরিমানা আদায় এবং ৪টি প্রতিষ্ঠানকে সতর্ক করা হয়।

 

নিষিদ্ধ পলিথিনের বিরুদ্ধে মাগুরা ও চুয়াডাঙ্গায় ২টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় ৭টি মামলার মাধ্যমে ৯ হাজার টাকা জরিমানা আদায়, ১১৪ কেজি পলিথিন জব্দ এবং সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়।

 

জলাশয় ভরাটের বিরুদ্ধে ফেনী জেলায় পুকুর ভরাট বিরোধী অভিযানে ১টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় ১টি মামলার মাধ্যমে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় এবং পুকুরটি পুনরুদ্ধারের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

 

শব্দদূষণের বিরুদ্ধে ঢাকার শাহবাগ এলাকায় শব্দ দূষণবিরোধী অভিযানে ১টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় ৪টি যানবাহনকে ৪ হাজার ৫শ’ টাকা জরিমানা এবং চালকদের সতর্ক করা হয়।

 

পরিবেশ অধিদপ্তরের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

#

 

দীপংকর/রানা/রফিকুল/সেলিম/২০২৫/২০১০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর: ২৩৬৫

 

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অগ্নিপ্রতিরোধ বিষয়ক মহড়া আগামী ১৯ জানুয়ারি

 

ঢাকা, ১ মাঘ (১৫ জানুয়ারি):

 

অগ্নিপ্রতিরোধ ও অগ্নিনির্বাপণে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে আগামী ১৯ জানুয়ারি সকাল ১১টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের ৮ নম্বর ভবনে অবস্থিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অগ্নিপ্রতিরোধ বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত হবে।

 

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের প্রশাসন-২ শাখার উপসচিব আশ্রাফ আহমেদ রাসেল স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা যায়।

 

#

 

ফয়সল/রানা/সঞ্জীব/সেলিম/২০২৫/২১২০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর: ২৩৬৪

 

তিতাসের অভিযান: ১১শ’ অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন

 

ঢাকা, ১ মাঘ (১৫ জানুয়ারি):

 

তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগ উচ্ছেদ অভিযানের অংশ হিসেবে আজ নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলায় মীরেরটেক এলাকায় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

 

অভিযানে মীরেরটেক আবাসিক এলাকার দুই কিলোমিটার জুড়ে বিস্তৃত ৩শ’টি বাড়ির প্রায় ৫শ’টি চুলার অবৈধ গ্যাসের লাইন এবং অবৈধ ঢালাই কারখানার ১টি বড় ক্রুসিবল ফার্নেস যার লোড আনুমানিক ১ হাজার ঘনফুট/ঘণ্টা এর লাইন বিচ্ছিন্ন করা হয়।

 

এ সময় ১.৫ ইঞ্চি ডায়া বিশিষ্ট ৪৮০ ফিট, ২ ইঞ্চি ডায়া বিশিষ্ট ২০ ফিট এবং ৩/৪ ইঞ্চি ডায়া বিশিষ্ট ২শ’ ফিট এমএস পাইপ উচ্ছেদ এবং অবৈধ বিতরণ লাইনের অংশ এক্সকাভেটরের মাধ্যমে অপসারণ-সহ জব্দ করা হয়েছে। প্রতিটি অবৈধ বিতরণ লাইন উৎস পয়েন্ট থেকে কিলিং ও ক্যাপিং করা হয়।

 

পৃথক অভিযানে গাজীপুর জেলার কাশিমপুর থানা এলাকাধীন সারদাগঞ্জ এলাকায় ৩টি পয়েন্টে প্রায় ২৫০টি আধাপাকা বাড়ি এবং ২০টি ভবনের মোট ৬শ’টি চুলার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও বিভিন্ন উৎসমুখ কিলিং করা হয়। এ সময় অবৈধভাবে স্থাপিত ৩/৪, ১ ও ২ ইঞ্চি ব্যাসের মোট ৩৭০ ফুট পাইপ উত্তোলনপূর্বক জব্দ করা হয়।

 

#

 

শফিউল্লাহ/রানা/রফিকুল/সেলিম/২০২৫/২১০০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর: ২৩৬৩

 

কৃষি অর্থনীতির মেরুদণ্ড

       -- কৃষি উপদেষ্টা

 

ঢাকা, ১ মাঘ (১৫ জানুয়ারি):

 

কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেছেন, কৃষি আমাদের দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। আমাদের দায়িত্ব শুধু কৃষকদের সহায়তা করাই নয়, বরং তাদের জীবনমান উন্নত করা এবং টেকসই কৃষি উন্নয়নের জন্য কাজ করা।

 

উপদেষ্টা আজ রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ৪৩তম বিসিএস (কৃষি) ক্যাডারে নবযোগদানকৃত কর্মকর্তাদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে এসব কথা বলেন।

 

উপদেষ্টা বলেন, দেশের জনসংখ্যার একটি বড় অংশ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। বাংলাদেশে কর্মসংস্থানের সবচেয়ে বড় খাত হচ্ছে কৃষি। আমাদের মোট শ্রমশক্তির একটি বিশাল অংশ প্রায় ৪০ দশমিক ৬২ শতাংশ এখনো কৃষি ক্ষেত্রে নিয়োজিত।

 

নবযোগদানকৃত কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে উপদেষ্টা বলেন, কৃষি খাতে চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনার সংমিশ্রণ রয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন, ভূমির অবক্ষয়, কৃষি উৎপাদনে নতুন প্রযুক্তি এবং গ্রামীণ অর্থনীতির রূপান্তর-এ সবই আমাদের সামনে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। মেধা, উৎসাহ এবং সেবার মনোভাব এই খাতকে আরো উন্নত করবে। আপনারা যেখানেই কাজ করবেন, সেখানকার কৃষকদের জীবনমান উন্নয়ন তথা কৃষিক্ষেত্রের সার্বিক উন্নয়নে আপনারা হয়ে উঠবেন নেতৃত্বের আলো।

 

উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান যুগ তথ্য ও প্রযুক্তির। তথ্যপ্রযুক্তির উৎকর্ষতার এই যুগে সোশ্যাল মিডিয়ার গুরুত্ব অনস্বীকার্য। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন আমাদের জীবনকে সহজ করেছে, তেমনি এটি আমাদের পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনের ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছে। সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে বিশেষ দায়িত্বশীল হতে হবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কর্মকর্তাদের উপস্থিতি যেন সবসময় পেশাদার হয়।  পোস্ট, মন্তব্য এবং শেয়ার করা তথ্যের মাধ্যমে  পেশাদারিত্ব প্রতিফলিত হতে হবে।

 

কৃষি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে উপদেষ্টা বলেন, সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে আপনাদের কাছে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এবং সংবেদনশীল তথ্য থাকবে। এসব তথ্য শেয়ার করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকুন এবং নিশ্চিত করুন যে কোনো গোপন বা সংবেদনশীল তথ্য যেন জনসমক্ষে না আসে।

 

কৃষি সচিব ড.  মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ ছাইফুল আলম, মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. বেগম সামিয়া সুলতানা।

 

#

 

জাকির/রানা/সঞ্জীব/সেলিম/২০২৫/২০৫০ ঘণ্টা

 

 

Handout                                                                                                               Number: 2362

 

38 lakh 48 thousand Taka fined in actions against air pollution,

polythene, waterbody filling, and noise pollution


Dhaka, January 15:

 

On January fifteenth, two thousand twenty-five, the Department of Environment conducted ten mobile court drives across the country targeting air pollution, banned polythene, waterbody filling, and noise pollution. These drives resulted in twenty-six cases and a total fine collection of thirty-eight lakh forty-eight thousand five hundred Taka.

 

In actions against polluting brick kilns in Rangpur, Bandarban, Jhenaidah, and Amin Bazar in Dhaka district, four mobile courts imposed fines totaling thirty-eight lakh Taka through thirteen cases, destroyed raw bricks from five kilns, dismantled three kilns, and shut down one brick kiln.

 

In the fight against urban air pollution, a mobile court in Kazipara, Dhaka, imposed a fine of five thousand Taka through one case and issued warnings to four establishments.

 

For violating the ban on polythene, two mobile courts in Magura and Chuadanga imposed fines of nine thousand Taka through seven cases, seized one hundred fourteen kilograms of polythene, and issued warnings to the offenders.

 

In the drive against waterbody filling, a mobile court in Feni imposed a fine of thirty thousand Taka through one case and ordered the restoration of the filled pond.

 

To combat noise pollution, a mobile court in Shahbagh, Dhaka, fined four vehicles a total of four thousand five hundred Taka and issued warnings to several drivers.

 

The Department of Environment will continue such enforcement actions.


#

Dipankar/Rana/Rafiqul/Salim/2025/2025 Hrs. 

তথ্যবিবরণী                                                                                                      নম্বর: ২৩৬১

পাহাড় কাটা মনিটরিংয়ে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার

                                                                                          --- পরিবেশ উপদেষ্টা

ঢাকা, ১ মাঘ (১৫ জানুয়ারি):

          পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, পাহাড় ও টিলা কাটা রোধে মনিটরিং এ সরকার আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে। আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে দেশের পাহাড় ও টিলা-সহ প্রাকৃতিক সম্পদের মানচিত্র প্রণয়ন কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ উপদেষ্টা এ কথা বলেন।

          উপদেষ্টা বলেন, এ কাজে উচ্চ রেজুলেশনের ওয়ার্ল্ডভিউ-৩ স্যাটেলাইট ছবি (৩০ সেন্টিমিটার) ব্যবহার করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলের প্রাকৃতিক সম্পদের মানচিত্র তৈরি করা হচ্ছে। ডিজিটাল টেরেইন মডেল (ডিটিএম) দিয়ে এই এলাকার সীমানা নির্ধারণ আরো নির্ভুল করা হয়েছে। ২০০৪ থেকে ২০২৪ সালের গুগল আর্থ স্যাটেলাইট ছবি বিশ্লেষণ করে পাহাড় কাটার কারণে পরিবেশ ও ভূমির পরিবর্তন চিহ্নিত করা হচ্ছে।

          পরিবেশ উপদেষ্টা জানান, ভূমি ব্যবহারের টেকসই পরিকল্পনা ও প্রাকৃতিক সম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনার জন্য একটি সামগ্রিক মানচিত্র এবং সমন্বিত বন ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা তৈরিতে কাজ করা হচ্ছে। এতে বন, নদী ও জলাভূমির মতো সম্পদ সংরক্ষণ এবং কার্বন মজুত, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং পরিবেশ উন্নয়নে অবদান রাখা সম্ভব হবে।

          রিজওয়ানা হাসান আরো বলেন, পাহাড় কাটা এবং পরিবেশের ক্ষতির পরিমাণ হেক্টরে হিসাব করা হচ্ছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, আঞ্চলিক পরিষদ এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের সাথে পরামর্শ করে জিআইএস ও রিমোট সেন্সিং দলের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে যাচাই করা হবে। এই প্রকল্প বাংলাদেশের প্রাকৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, সঠিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং টেকসই উন্নয়নে সরকারের প্রতিশ্রুতি প্রতিফলিত করে।

#

দীপংকর/রানা/সঞ্জীব/জয়নুল/২০২৫/২০২০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর: ২৩৬০

 

সকলের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত প্রাণিজ আমিষ নিশ্চিতকরণে কাজ করতে হবে

                                                             --- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

 

সাভার, ১ মাঘ (১৫ জানুয়ারি):

          মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, সকলের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত প্রাণিজ আমিষ নিশ্চিতকরণে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদে সমৃদ্ধ। এখানে অনেক রিসোর্স আছে কিন্তু সমস্যা হলো মৎস্য ও প্রাণিখাতে অনেক প্রজাতি বিলুপ্তির পথে। তাই বিলুপ্তি হওয়া ঠেকাতে নবীণ কর্মকর্তাদের এগিয়ে আসতে হবে।

          আজ সাভারে বিসিএস লাইভস্টক একাডেমিতে নবনিয়োগপ্রাপ্ত ৪৩তম বিসিএস (পশুসম্পদ) ও বিসিএস (মৎস্য) ক্যাডার কর্মকর্তাগণের অবহিতকরণ কোর্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

          ফরিদা আক্তার বলেন, খাদ্যের ক্ষেত্রে শুধু পুষ্টি হলেই চলবে না তা নিরাপদ কি না গুরুত্বের সাথে দেখতে হবে। এক্ষেত্রে ফিডের নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ ফিড নিরাপদ হলে মাছ-মাংস নিরাপদ হবে। নবীন কর্মকর্তাদের সরকারি আইনের প্রতি গুরুত্বারোপ তিনি বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কে জানতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জন্য অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি আরো বলেন, এ ছাড়া কৃষি মন্ত্রণালয় কীটনাশক ও হার্বিসাইড ব্যবহারের ফলে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদে অনেক ক্ষতি করে যাচ্ছে।

          প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবু সুফিয়ানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সৈয়দা নওয়ারা জাহান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুর রউফ, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুক। স্বাগত বক্তৃতা করেন বিসিএস লাইভস্টক একাডেমির পরিচালক  ডা: এ কে এম হুমায়ুন কবীর।

          উল্লেখ্য, নবনিয়োগপ্রাপ্ত ৪৩তম বিসিএস (পশুসম্পদ) ও বিসিএস (মৎস্য) ক্যাডার কর্মকর্তাগণের অবহিতকরণ কোর্সে বিসিএস পশুসম্পদ ক্যাডারের ৯৫ জন এবং বিসিএস মৎস্য ক্যাডারের ৩৮ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।

#

মামুন/রানা/রফিকুল/জয়নুল/২০২৫/২০৩০ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর: ২৩৫৯

 

নবীন কর্মকর্তাদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে জনগণের কল্যাণে কাজ করতে হবে

                                                                           -- তথ্য সচিব

 

ঢাকা, ১ মাঘ (১৫ জানুয়ারি):

 

নবীন কর্মকর্তাদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে জনগণের কল্যাণে কাজ করতে হবে। সরকারি কর্মকর্তাগণ সর্বাধিক নিরপেক্ষতা বজায় রেখে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন, এটাই জনগণের প্রত্যাশা। আজ ঢাকায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ৪৩তম বিসিএস তথ্য ক্যাডার কর্মকর্তাগণের ওরিয়েন্টেশন এবং চার দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে তথ্য সচিব মাহবুবা ফারজানা এসব কথা বলেন।

 

তথ্য পরিবারে নবীন কর্মকর্তাদের স্বাগত জানিয়ে সচিব বলেন, বিসিএস তথ্য সার্ভিস একটি ঐতিহ্যবাহী সার্ভিস। এই সার্ভিসে জনগণের জন্য অনেক কিছু করার সুযোগ রয়েছে। নবীন কর্মকর্তাদের জন্য প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দক্ষ কর্মকর্তা হওয়ার জন্য প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একজন কর্মকর্তা সরকারি আইন, বিধি ও নীতিমালা সম্পর্কে অবহিত হন। তিনি কর্মক্ষেত্রে প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান কাজে লাগানোর জন্য নবীন কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রসঙ্গে তথ্য সচিব বলেন, অনেক রক্তের বিনিময়ে আমরা নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের সুযোগ পেয়েছি। তিনি বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তথ্য ক্যাডারের নবীন কর্মকর্তাদের যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

 

অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. কাউসার আহাম্মদ, ড. মোহাম্মদ আলতাফ-উল-আলম, ফারাহ শাম্মী-সহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

 

উল্লেখ্য, ৪৩তম বিসিএস থেকে তথ্য সাধারণ ক্যাডারে ২১ জন এবং তথ্য প্রকৌশল ক্যাডারে ১৪ জন কর্মকর্তা যোগদান করেন।

#

মামুন/রানা/সঞ্জীব/সেলিম/২০২৫/১৯১০ ঘণ্টা

         

Handout                                                                                                           Number: 2358

Government Leveraging Modern Technology to Monitor Hill-Cutting
                                                                             --- Environment Advisor

Dhaka, 15 January:

Syeda Rizwana Hasan, Advisor to the Ministry of Environment, Forest and Climate Change, highlighted the government's initiatives to prevent hill and dune cutting by using modern technology. She made this remark while speaking at a progress review meeting on the Natural Capital Mapping project, held at the Ministry of Water Resources in the Bangladesh Secretariat today.


            The project employs advanced tools, including high-resolution WorldView-3 satellite imagery with 30 centimetre resolution, to map and analyze the natural capital of hillocks and hilly regions. The Digital Terrain Model (DTM) refines these boundaries, while time-series analyses using Google Earth imagery (2004–2024) provide critical insights into the impact of hill-cutting activities on vegetation and terrain.


            The Advisor emphasized that the initiative focuses on creating a comprehensive Land Cover and Natural Capital Map and developing Integrated Collaborative Forest Management Plans. This will enhance the sustainable management of natural resources like forests, wetlands, and rivers, which provide essential ecosystem services such as carbon storage, flood protection, and biodiversity conservation.


            Rizwana Hasan also noted that the project estimates the extent of hill-cutting and disturbed areas in hectares, highlighting the importance of sustainable land use. Field surveys by GIS and Remote Sensing teams, in consultation with stakeholders such as the CHT Board, Regional Councils, and local communities, will validate the findings.


            The project reflects the government's dedication to preserving Bangladesh’s natural heritage, ensuring informed resource management, and promoting sustainable development.

#

Dipankar/Rana/Sanjib/Joynul/2025/1940 Hrs. 

 

তথ্যবিবরণী                                                                                         নম্বর: ২৩৫৭

পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে বাঁশের চাষ ও ব্যবহার বাড়াতে হবে

                                                                                    --- উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাক্‌মা

ঢাকা, ১ মাঘ (১৫ জানুয়ারি):

          পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপদ্রীপ চাক্‌মা বলেছেন, প্রকৃতি ও পরিবেশের কোনো পরিবর্তন না ঘটিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন করা হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামে পানিশূন্যতা হ্রাস ও এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক বুনিয়াদ গড়ে তুলতে আমরা বাঁশের চাষ ও ব্যবহার বাড়াতে চাই। পরিবেশ রক্ষায় বাঁশ খুবই কার্যকর ও গুরুত্বপূর্ণ। পার্বত্য চট্টগ্রামে আমরা সেগুন, মেহগনি ও আকাশি গাছ লাগাতে আর উৎসাহিত করছি না। পার্বত্য চট্টগ্রামের পানি শূন্যতা হ্রাস এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে বাঁশ হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। 

          আজ ঢাকায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টার অফিস কক্ষে FAO -এর বাংলাদেশ কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ জিয়াওকুন শী (Jiaoqun Shi) ও তার প্রতিনিধিদলের সাথে সাক্ষাৎকালে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

          উপদেষ্টা পার্বত্য চট্টগ্রামে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা-সহ সকলের উপযোগী প্রকল্প গ্রহণের জন্য FAO প্রতিনিধিদলের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ন্যাচারাল রিজার্ভ ফরেস্ট এখানে শতাব্দীকাল যাবৎ একইভাবে রয়েছে। আমরা চাই, পার্বত্য চট্টগ্রামে FAO গৃহীত প্রকল্পগুলোর স্থায়িত্ব টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী হবে। সুপ্রদীপ চাকমা আশাবাদ প্রকাশ করে বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের খাদ্যের নিরাপত্তা ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে টেকসই জীবিকার সংস্থান করতে ঋঅঙ এর গৃহীতব্য প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

          সুপ্রদীপ চাক্‌মা পার্বত্য অঞ্চলে পরিবেশবান্ধব বাঁশ চাষকে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি প্রতিনিধিদলের কাছে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, পাহাড় টিকিয়ে রাখতে হলে বন-জঙ্গল, ঝিরি, ঝরনা, বাঁশ ঝাড়ের চাষ বাড়াতে হবে। কাপ্তাই লেকের পানি সংরক্ষণ ও এর তীরবর্তী এলাকায় কৃষিজ, ফলদ, বনজ সম্পদ গড়ে তোলা-সহ পার্বত্য চট্টগ্রামে জীবন জীবিকা উন্নয়নে প্রকল্প গ্রহণের জন্য ঋঅঙ প্রতিনিধিদলের প্রতি আহ্বান জানান।  

          পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব সজল কান্তি বনিক, উপদেষ্টার একান্ত সচিব খন্দকার মুশফিকুর রহমান, FAO -এর সহকারী কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ইমানুন নবী খান, ন্যাশনাল প্রজেক্ট ইমপ্লিমেন্টেশন অফিসার এমদাদুল হক চৌধুরী এবং ইউএনডিপি’র কর্মকর্তা এ এ মং উপস্থিত ছিলেন।

#

 রেজুয়ান/রানা/সঞ্জীব/জয়নুল/২০২৫/১৯৪৫ঘণ্টা

         

তথ্যবিবরণী                                                                                                          নম্বর: ২৩৫৬

 

রাষ্ট্রপতির কাছে বাংলাদেশে নবনিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

 

ঢাকা, ১ মাঘ (১৫ জানুয়ারি):

রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বাংলাদেশের অবকাঠামো, অটোমোবাইল, আইসিটি-সহ উদীয়মান বিভিন্ন খাতে আরো বিনিয়োগ করতে জাপানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতির কাছে আজ ঢাকায় বঙ্গভবনে বাংলাদেশে নবনিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি পরিচয়পত্র পেশ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।   

নতুন রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, জাপান বাংলাদেশের একক সর্ববৃহৎ দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন অংশীদার। তিনি বলেন, দু’দেশের সম্পর্ক স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপে উন্নীত হয়েছে। এ সময় বিগ বি ইনিশিয়েটিভ এর অধীনে বাংলাদেশের উন্নয়নে ঋণ ও অনুদান হিসেবে জাপানের ২৩ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি সহায়তার কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি এ সহযোগিতা আরো জোরদার করার আহ্বান জানান।

দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধিতে সন্তোষ প্রকাশ করে মোঃ সাহাবুদ্দিন বলেন, জাপানের ৩৫০টির বেশি কোম্পানি বর্তমানে বাংলাদেশে কাজ করছে। বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি নিতে এবং ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে উদ্যোগ গ্রহণ করতে তিনি রাষ্ট্রদূতকে আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা প্রদানে জাপানের ভূমিকার প্রশংসা করেন। রোহিঙ্গারা যাতে নিরাপদ এবং সম্মানজনকভাবে নিজ দেশে ফিরে যেতে পারে সে বিষয়ে জাপান ভবিষ্যতেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।  

এ সময় জাপানের রাজা, রানি এবং রাজপরিবারের সদস্যদের বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন।

বাংলাদেশের বড় বড় অবকাঠামো খাতে জাপানের বিনিয়োগের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, ভবিষ্যতে  বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে আরো বিনিয়োগ করতে আগ্রহী তার দেশ। তিনি বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আদিল চৌধুরী ও প্রেস সচিব মোঃ সরওয়ার আলম এবং পররাষ্ট্র সচিব মোঃ জসিম উদ্দিন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

#

রাহাত/রানা/সঞ্জীব/শামীম/২০২৫/১৭১০ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                নম্বর: ২৩৫৫

 

তামাকজাত পণ্য থেকে প্রাপ্ত রাজস্বের চেয়ে এতে ক্ষতিগ্রস্থদের চিকিৎসায় ব্যয় বেশি

                                   -মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

ঢাকা, ১ মাঘ (১৫ জানুয়ারি):

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, সরকার তামাকজাত পণ্য কোস্পানি থেকে যে পরিমাণ আয় বা রাজস্ব পায়, তার চেয়ে তামাক গ্রহণে ক্ষতিগ্রস্থদের চিকিৎসায় ব্যয় বেশি হয়।

আজ সিরডাপ মিলনায়তনে ‘জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাক কর নীতি বাস্তবায়নের প্রতিবন্ধকতা ও করণীয়’-শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। 

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেন, তামাক উৎপাদনের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। কারণ নদীর পারে বিশেষ করে হালদা ও তিস্তার পারে তামাক চাষ হয়ে থাকে। আর তামাক চাষে কীটনাশক ও সার ব্যবহারের ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকাতে মাছ নষ্ট হচ্ছে আবার মারাও যাচ্ছে। 

উপদেষ্টা আরো বলেন, তামাক কোম্পানিগুলো জুজুর ভয় দেখিয়ে বলে থাকে ১৫ লাখ তামাক বিক্রেতা এ পেশার সাথে জড়িত। কিন্তু এদের বেশির ভাগই শিশু। প্রকৃতপক্ষে তামাক বিক্রির সাথে এত সংখ্যক লোক যুক্ত আছে কিনা তা দেখা দরকার।

বক্তারা দেশে তামাক কর কাঠামো বিশ্লেষণ, তামাক কোম্পানির কৌশল উদঘাটন এবং কর আরোপের সুযোগ ও চ্যালেঞ্জের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, তামাকজাত দ্রব্য থেকে যে রাজস্ব আহরিত হয় তার চেয়ে বেশি টাকা তামাকজাত দ্রব্য গ্রহণের ফলে চিকিৎসাজনিত কারণে ব্যয় হয়ে থাকে। তাই এবিষয়ে আরও সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান তারা।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক ফর টোব্যাকো ট্যাক্স পলিসি (বিএনটিটিপি)'র টেকনিক্যাল কমিটির সদস্য মোঃ শফিকুল ইসলাম ছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক  মোহাম্মদ আলীম আখতার খান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যুরো অব ইকোনমিক রিসার্চ ও বিএনটিটিপির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে আরো উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মীর আলমগীর হোসেন, শিল্প মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব অপূর্ব কুমার মন্ডল, বিএনটিটিপির টেকনিক্যাল কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট সৈয়দ মাহবুবুল আলম, বাংলাদেশ ক্যানসার সোসাইটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. গোলাম মহিউদ্দিন ফারুক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের দ্বিতীয় সচিব মোঃ বদরুজ্জামান মুন্সী, টোব্যাকো ফ্রি কিডসের লিড পলিসি অ্যাডভাইজার মো. মুস্তাফিজুর রহমান, জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের মহাপরিচালক মোঃ আখতারউজ-জামান প্রমুখ।

#

2025-01-15-16-53-e700074adcf57db54022f98073f3ef04.docx