Wellcome to National Portal
তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
Text size A A A
Color C C C C

সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২২nd জানুয়ারি ২০২৫

তথ্যবিবরণী ২২ জানুয়ারি ২০২৫

তথ্যবিবরণী                                                                                                         নম্বর: ২৪৫৪

 

অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন অভিযান, জরিমানা আদায়

 

ঢাকা, ৮ মাঘ (২২ জানুয়ারি):           

 

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ আজ এক জোবিঅ-সাভারের আওতাধীন পূর্ব সদরপুর, টংগাবাড়ি এবং বড় আশুলিয়া এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও বিতরণ লাইন উচ্ছেদ করেছে।

 

অভিযানে চারটি স্পটে প্রায় ২ দশমিক ৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের বিতরণ লাইন ও ৫শ’টি অবৈধ আবাসিক গ্যাস বার্নারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন-সহ ১ হাজার ৫শ’ মিটার গ্যাস লাইন অপসারণ করা হয়।

 

এছাড়া ইকো লন্ডি নামীয় অবৈধ ওয়াশিং কারখানায় গ্যাস সংযোগ কিল করা হয়েছে। এতে উক্ত কারখানার ৬টি ড্রায়ার ও ১টি বয়লারে ব্যবহৃত মোট ঘণ্টা প্রতি ৪ হাজার ৫০ ঘনফুট লোডের গ্যাস সাশ্রয় হবে।

 

অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহার করায় ২ জন আবাসিক গ্রাহককে ১১ হাজার এবং ইকো লন্ডি নামক ওয়াশিং কারখানাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড আরোপ করে তা আদায় করা হয়।

 

#

 

শফিউল্লাহ/রানা/রফিকুল/সেলিম/২০২৫/২২৫০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                        নম্বর: ২৪৫৩

 

নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে সরকার বদ্ধপরিকর

                                  -- শারমীন এস মুরশিদ

ঢাকা, ৮ মাঘ (২২ জানুয়ারি):           

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেছেন, সমাজ থেকে যেকোনো মূল্যে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ করা হবে। প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে জেন্ডার-ভিত্তিক সহিংসতার শিকার সারভাইভারদের সহায়তায় কুইক রেসপন্স টিমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই টিম গঠনের ফলে যেকোনো সহিংসতার ঘটনার পরপরই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সারভাইভারদের উদ্ধার করা, দ্রুত সময়ে কার্যকরী পদক্ষেপের মাধ্যমে সারভাইভারদের নিরাপত্তা প্রদান এবং সহিংসতা কমানো সম্ভব হবে। এই টিমের কার্যক্রম শুধু সারভাইভারদের জীবন বাঁচাতে নয় বরং তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা ও পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

আজ ঢাকায় সিরডাপ মিলনায়তনে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিকার ও প্রতিরোধে কুইক রেসপন্স টিমের কার্যক্রম বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, নির্যাতন/সহিংসতার শিকার হলে অথবা সহিংসতার শিকার হওয়ার আশংকা থাকলে নারী ও শিশু সমান গুরুত্বের সাথে রাষ্ট্রীয়ভাবে আইনি সহায়তা, সুরক্ষা ও প্রয়োজনীয় সেবা প্রদান করা। বাংলাদেশ সরকার নারী ও শিশুর প্রতি সকল প্রকার সহিংসতা বন্ধে বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে ‘কুইক রেসপন্স টিম’ গঠনপূর্বক নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতার বিষয়ে প্রত্যেকটি ঘটনায় পৃথকভাবে কার্যকর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

উপদেষ্টা আরো বলেন, বাংলাদেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে কঠোর আইনের বিধান থাকলেও এ ধরণের অপরাধ প্রত্যাশিত মাত্রায় হ্রাস পাচ্ছে না। নারী ও শিশুর প্রতি পরিবার, কর্মক্ষেত্র, পাবলিক স্পেস, অনলাইন-সহ নানাভাবে বিভিন্ন ধরণের সহিংসতা ও অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। প্রচলিত সামাজিক রীতিনীতি, প্রথা, বৈষম্যমূলক সামাজিক আচরণের কারণে সমাজে যুগ যুগ ধরে নারী ও শিশু নানা ধরণের নির্যাতন ও সহিংসতার শিকার। সময়ের সাথে সাথে সহিংসতার ধরণের ক্ষেত্র ও মাত্রা পরিবর্তিত হচ্ছে। প্রকৃত অর্থে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

শারমীন এস মুরশিদ বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ ও প্রতিকারে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় মাল্টিসেক্টরাল এপ্রোচে ১৪টি মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বিতভাবে কাজ করছে। বর্তমানে এ মন্ত্রণালয়ের আওতায় ১৪ টি ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার, ৬৭ টি ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেল, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে টোল ফ্রি জাতীয় হেল্পলাইন সেন্টার (১০৯), ন্যাশনাল ট্রমা কাউন্সেলিং সেন্টার, ৮টি রিজিওনাল ট্রমা কাউন্সেলিং সেন্টার, ন্যাশনাল ফরেনসিক ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাবরেটরি ৮টি বিভাগীয় ডিএনএ স্ক্রিনিং ল্যাবরেটরি, রিয়াল টাইম মনিটরিং ডাটাবেইজের মাধ্যমে দেশের নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ ও প্রতিকারে কাজ করছে।

কর্মশালায় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মমতাজ আহমেদ এনডিসি’র সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কেয়া খান। কর্মশালায় কুইক রেসপন্স টিম এর কার্যপরিধির করণীয় বিষয় নিয়ে আলোকপাত করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ড. প্রকাশ কান্তি চৌধুরী।

পরে উপদেষ্টা সিরডাপে জুলাই বিপ্লবে আহতদের পুনর্বাসন সংক্রান্ত সভায় মতবিনিময় করেন। তিনি বলেন, তোমাদেরকে নিয়ে ঢাকায় ১২০টি খাদ্যপণ্যের বিক্রয় কেন্দ্র স্থাপন করা হবে যেখানে তোমাদের নেতৃত্বে মানুষের দোরগোড়ায় সুলভ মূল্যে খাদ্য সরবরাহ করতে পারবে।

#

রফিকুল/মেহেদী/রানা/রফিকুল/সেলিম/২০২৫/২১৩০ ঘণ্টা

 

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                   নম্বর: ২৪৫২

 

জুলাইয়ের তারুণ্যের শক্তি হারিয়ে যায়নি

                              -- সজীব ভূঁইয়া

 

ঢাকা, ৮ মাঘ (২২ জানুয়ারি):   

 

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, জুলাইয়ের তারুণ্যের শক্তি হারিয়ে যায়নি। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান মাধ্যমে বাংলাদেশের নতুন প্রজন্ম প্রমাণ করে দিয়েছে আমরা রাজনীতি কিংবা দেশ বিমুখ নই।

 

আজ ঢাকায় ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজের মিলনায়তনে ‘তারুণ্যের উৎসব ২০২৫’ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্তব্য উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

 

এ সময় উপদেষ্টা বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় লিড মিনিস্ট্রি হিসেবে ‘তারুণ্যের উৎসব ২০২৫’ পালনের উদ্যোগ নিয়েছে; যা সারা দেশে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্‌যাপন করছে। দেশের ৬৪ টি জেলা, ৪৯৫ টি উপজেলায় বিভিন্ন ক্রীড়া সংস্থা ও ফেডারেশন তারুণ্যের উৎসব উপলক্ষ্যে বিভিন্ন খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে। তারুণ্যের উৎসবকে কেন্দ্র করে যে জাগরণ উঠেছে তা প্রমাণ করে জুলাইয়ের তারুণ্যের শক্তি হারিয়ে যায়নি।

 

সজীব ভূঁইয়া বলেন, বাংলাদেশের জনগণ একটি সংকটকালীন সময়ে রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে একটি নতুন বাংলাদেশর সূচনা করেছে। নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে উন্নয়ন কার্যক্রম এবং সংস্কার কার্যক্রমকে সফল করতে সকলকে ভূমিকা রাখতে হবে।

 

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ রেজাউল মাকছুদ জাহেদী, ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দীন আহমদ চৌধুরী, ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি এবং সাবেক সচিব মোঃ ইসমাইল জাবিউল্লাহ, ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মাজেদা বেগম-সহ স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

#

 

আলম/মেহেদী/রানা/রফিকুল/শামীম/২০২৫/২১১০ ঘণ্টা

Handout                                                                                                             Number: 2451

 

Anti-Pollution Drives Continue

Fines of 5.5 Million Taka, Closure of 4 Brick Kilns,

and Seizure of 2.5 Tons of Polythene


Dhaka, 22 January:

 

Today mobile court drives were conducted under the initiative of the Ministry of Environment, Forest and Climate Change and the management of the Department of Environment to combat illegal brick kilns, banned polythene, and air pollution.

 

In Gopalganj, Mymensingh, Sherpur, Satkhira, Feni, Chandpur, Madaripur, Gazipur, and Dhaka, 9 mobile courts were conducted. Through 25 cases, fines amounting to BDT 5.351 million were collected. Activities of 4 brick kilns were shut down, and strict instructions were issued to 8 others.

 

In Chandpur, Feni, Natore, Netrakona, and Gazipur, 5 mobile courts tackled banned polythene. Through 11 cases, fines totaling BDT 53 Thousand 900 were collected and Two Thousand 565 kilograms of polythene were seized. Several organizations were issued warnings.

 

In Shahbagh, Dhaka, a drive against excessive vehicular emissions was conducted. Two cases resulted in fines of BDT Two Thousand and warnings were issued to drivers of 8 vehicles.

 

In Banglamotor and Mirpur areas of Dhaka and Gazipur, 3 mobile courts addressed air pollution caused by construction materials. Two cases led to fines of BDT 70 Thousand and warnings were issued to relevant organizations.

 

#

 

Dipankar/Mehedi/Rana/Rafiqul/Salim/2025/2135 Hours

 

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                      নম্বর: ২৪৫০

 

দূষণবিরোধী অভিযান অব্যাহত

 ৫৫ লাখ টাকা জরিমানা ও ৪টি ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধ, আড়াই হাজার কেজি পলিথিন জব্দ

 

ঢাকা, ৮ মাঘ (২২ জানুয়ারি):           

 

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ব্যবস্থাপনায় আজ অবৈধ ইটভাটা, নিষিদ্ধ পলিথিন এবং বায়ুদূষণ রোধে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।

 

গোপালগঞ্জ, ময়মনসিংহ, শেরপুর, সাতক্ষীরা, ফেনী, চাঁদপুর, মাদারীপুর, গাজীপুর ও ঢাকায় ৯টি মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত হয়। ২৫টি মামলায় ৫৩ লাখ ৫১ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। ৪টি ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধ-সহ ৮টি ইটভাটার বিরুদ্ধে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়।

 

চাঁদপুর, ফেনী, নাটোর, নেত্রকোণা ও গাজীপুরে নিষিদ্ধ পলিথিন নিয়ে ৫টি মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। ১১টি মামলায় ৫৩ হাজার ৯শ’ টাকা জরিমানা আদায় এবং ২ হাজার ৫৬৫ কেজি পলিথিন জব্দ-সহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে সতর্ক করা হয়।

 

ঢাকার শাহবাগ এলাকায় যানবাহনের কালো ধোঁয়া নির্গমনের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়। ২টি মামলায় ২ হাজার টাকা জরিমানা এবং ৮টি পরিবহনকে সতর্ক করা হয়।

 

গাজীপুর এবং ঢাকার বাংলামটর ও মিরপুর এলাকায় নির্মাণ সামগ্রী দ্বারা বায়ুদূষণের দায়ে ৩টি মোবাইল কোর্ট অভিযানে ২টি মামলায় ৭০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্ক করা হয়।

 

#

 

দীপংকর/মেহেদী/রানা/রফিকুল/সেলিম/২০২৫/২০৩৫ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                      নম্বর: ২৪৪৯

 

আইন বিধি মেনে কর্মকর্তাদের দেশের সেবায় কাজ করতে হবে

                                                         -- ভূমি উপদেষ্টা

 

ঢাকা, ৮ মাঘ (২২ জানুয়ারি):           

 

ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেছেন, সরকারি আইন বিধি মেনে কর্মকর্তাদের দেশের সেবায় কাজ করতে হবে। রাষ্ট্রের নিয়ম মানার বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। যার যার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে জনসেবায় কাজ করতে হবে।

 

আজ ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে কর্মকর্তা/কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় সভায় উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। এ সময় ভূমি মন্ত্রণালয়ে নব দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান সিনিয়র সচিব এএসএম সালেহ আহমেদ।

 

সভায় ভূমি উপদেষ্টা বলেন, আমাদের চাহিদার তুলনায় ভূমি কম। আর অপরাধের বড় একটা ক্ষেত্র ভূমিকে কেন্দ্র করে। জনগণকে কাঙ্ক্ষিত সেবা প্রদানে সর্বদা সচেষ্ট থাকতে হবে। যেকোনো অযাচিত শক্তির বিরুদ্ধে নিশ্চিন্তে কাজ করবেন, অযাচিত শক্তির বিরুদ্ধে আপনাদের রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের।

 

আলী ইমাম মজুমদার বলেন, সময়ের পরিক্রমায় ভূমিসেবা ডিজিটাইজ হওয়া খুবই জরুরি। টেকসই ডিজিটাইজ ভূমিসেবা নিশ্চিত করতে নিষ্ঠার সাথে কাজ করতে হবে। ডিজিটাইজ সেবা প্রদানে ডিভাইজের পিছনে যে মানুষটি কাজ করবে তাকেও সততার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে। জনগণকে প্রকৃত সেবা প্রদানের মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ের প্রতি জনগণের ইতিবাচক ভাবমূর্তি সৃষ্টি করতে হবে।

 

সিনিয়র সচিবের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান এ জে এম সালাউদ্দিন নাগরী, ভূমি আপীল বোর্ডের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ইব্রাহিম-সহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

 

#

 

গিয়াস/মেহেদী/রানা/রফিকুল/সেলিম/২০২৫/২১৪০ ঘণ্টা

 

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                      নম্বর: ২৪৪৮

 

কৃষি বিষয়ক তথ্য জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে

                                             --- কৃষি উপদেষ্টা

 

ঢাকা, ৮ মাঘ (২২ জানুয়ারি):           

                                      

কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেছেন, কৃষি বিষয়ক তথ্য কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে। সঠিক সময়ে সঠিক তথ্য পেলে কৃষক উপকৃত হবে ও উৎপাদন বাড়বে।

 

আজ রাজধানীর খামারবাড়িস্থ কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

 

কৃষি তথ্য সার্ভিস পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে উপদেষ্টা বলেন, কৃষি আমাদের প্রাণ। কৃষিই আমাদেরকে বাঁচিয়ে রাখে। কৃষক ও কৃষিবিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীরা পরিশ্রম করে আমাদের বিশাল জনগণের খাদ্য চাহিদা যোগান দিচ্ছে। কৃষকদের যে কোনো সমস্যার কথা বেশি করে তুলে ধরার জন্য তিনি সাংবাদিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা আমাদের উপকার করে। আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারি। কৃষির ওপর ভালো খবর ও সমান গুরুত্ব দিয়ে প্রচার করার ওপর উপদেষ্টা গুরুত্বারোপ করেন।

 

চালের মূল্য বৃদ্ধি প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, যে পরিমাণ ধান ক্রয় করার কথা সে পরিমাণ এখনও সংগ্রহ হচ্ছে না। ধানের দাম আমরা গত বছরের চেয়ে কেজি প্রতি তিন টাকা বাড়িয়ে দিয়েছি। মোটা চালের দাম কিছুটা কমেছে। চালের দাম হ্রাসে সরকার সচেষ্ট আছে। সিন্ডিকেট নিয়ে উপদেষ্টা বলেন, আমরা দৃশ্যমান তেমন কোনো সিন্ডিকেট চিহ্নিত করতে পারিনি। তবে কোনো সিন্ডিকেট হলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

দিনের অপর কর্মসূচিতে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর পরিদর্শনকালে উপদেষ্টা সাম্প্রতিক সংকটের সময় সবজির ওএমএস কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়ন করায় সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান। রোজার সময় এ কর্মসূচি আবারও চালু করা হতে পারে বলে উপদেষ্টা জানান। কৃষক যাতে উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পায় সে বিষয়ে আরো নিবিড়ভাবে কাজ করার জন্য তিনি কৃষি বিপণন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন।

 

পরিদর্শনকালে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও কৃষি তথ্য সার্ভিসের ঊর্ধ্বতন  কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

#

 

জাকির/মেহেদী/রানা/রফিকুল/সেলিম/২০২৫/২০৫০ ঘণ্টা

Handout                                                                                                                   Number: 2447

 

The government has initiated measures to manage

 The dog population on St. Martin's Island

                                           -  Environment Advisor

 

 

Dhaka, 22 January:

The government has initiated measures to manage the dog population on St. Martin's Island as part of efforts to conserve its environment and biodiversity, stated Syeda Rizwana Hasan, Advisor to the Ministry of Environment, Forest and Climate Change. She announced that a master plan will be developed, with collaboration from relevant government and non-government organizations.

The Advisor made these remarks as the chief guest at a session titled "Dog Population Census and KAP Survey to Conserve the Number of Olive Ridley Turtles and Ensure Biodiversity on St. Martin's Island," held today at the Forest Building in Agargaon, Dhaka.

Speakers at the event included Amir Hossain Chowdhury, Chief Conservator of Forests, and Dr. Md. Abu Sufian, Director of the Department of Livestock. Rubaiya Ahmad, founder of Obhoyaronno, an animal welfare organization, presented the keynote paper, "Dogs of Saint Martin's Island - Their Present and Future."

In her presentation, Rubaiya Ahmad outlined a phased Dog Population Management (DPM) program starting in February 2025. The first phase involves creating a policy framework to regulate feeding, restrict the entry of new pets, and ensure the sterilization of household pets. Public awareness campaigns focusing on humane behavior around dogs, especially targeting children, will follow.

Subsequent phases include spaying and neutering 50% of the dog population by May 2025, implementing a registered feeding program during the monsoon, and sterilizing 90% of the population by November 2025. By 2026, all female dogs will be spayed, and by 2030, 100% sterilization of the dog population is expected.

These efforts aim to balance biodiversity conservation with humane dog population management, ensuring the protection of Olive Ridley turtles and the ecosystem of St. Martin's Island.

 

#

Dipankar/Mehedi/Rana/Rafiqul/Shamim/2025/1930 hour

তথ্যবিবরণী                                                                                                        নম্বর: ২৪৪৬

 

সেন্ট মার্টিন দ্বীপে কুকুরের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার

                                                       - পরিবেশ উপদেষ্টা

ঢাকা, ৮ মাঘ (২২ জানুয়ারি):   

সেন্ট মার্টিন দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার অংশ হিসেবে কুকুরের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সরকার পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণ ও উন্নয়নে একটি মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হবে এবং এ বিষয়ে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করা হবে।

আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বন ভবনে “সেন্ট মার্টিন দ্বীপে কুকুরের সংখ্যা গণনা ও সচেতনতা জরিপ: অলিভ রিডলি কচ্ছপ সংরক্ষণ এবং জীববৈচিত্র্য নিশ্চিতকরণ” শীর্ষক সেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসেন চৌধুরী এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ান। অনুষ্ঠানে অভয়ারণ্য নামক প্রাণী কল্যাণ সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা রুবাইয়া আহমদ ও তার টিম “সেন্ট মার্টিনের কুকুর: বর্তমান ও ভবিষ্যৎ” শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

মূল প্রবন্ধে রুবাইয়া আহমদ জানান, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ধাপে ধাপে কুকুর ব্যবস্থাপনা কর্মসূচি (ডগ পপুলেশন ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম) বাস্তবায়ন শুরু হবে। প্রথম ধাপে খাদ্য বিতরণ নিয়ন্ত্রণ, নতুন পোষা প্রাণী প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা এবং গৃহপালিত প্রাণীদের বন্ধ্যাকরণ নিশ্চিত করার জন্য নীতিমালা তৈরি করা হবে। পরে শিশুদের জন্য সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

পরবর্তী ধাপগুলোতে মে ২০২৫-এর মধ্যে ৫০ শতাংশ কুকুরের বন্ধ্যাকরণ, বর্ষাকালে নিবন্ধিত খাদ্য বিতরণ এবং নভেম্বর ২০২৫-এর মধ্যে ৯০শতাংশ কুকুরের বন্ধ্যাকরণ নিশ্চিত করা হবে। ২০২৬ সালের মধ্যে সব নারী কুকুরের বন্ধ্যাকরণ এবং ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০শতাংশ কুকুরের বন্ধ্যাকরণ সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই উদ্যোগগুলো সেন্ট মার্টিন দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে এবং অলিভ রিডলি কচ্ছপের সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

#

দীপংকর/মেহেদী/রানা/রফিকুল/শামীম/২০২৫/১৯৩৫ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                        নম্বর: ২৪৪৫

 

বাণিজ্য উপদেষ্টার সাথে যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সের সাক্ষাৎ

ঢাকা, ৮ মাঘ (২২ জানুয়ারি):   

 বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের সাথে ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স Tracey Ann Jacobson সাক্ষাৎ করেছেন। আজ বাণিজ্য উপদেষ্টার সচিবালয়স্থ কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে তাঁরা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত কাঠামোগত সমঝোতা চুক্তি (টিকফা) নিয়ে আলোচনা করেন।

উপদেষ্টা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন অংশীদার এবং রপ্তানির জন্য বড় বাজার। বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এ সম্পর্ক আরো জোরালো করার সুযোগ রয়েছে।

 সরকার বিনিয়োগ ও বাণিজ্যকে সহজ করতে কাজ করছে উল্লেখ করে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের এদেশে আরো বেশি বিনিয়োগ প্রত্যাশা করে। এসময় তিনি ম্যানুফ্যাকচারিং ফ্যাক্টরি স্থাপনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহবান জানান। তিনি আরো বলেন, টিকফা চুক্তির পরবর্তী রাউন্ড ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত হবে। প্রস্তুতি হিসেবে বাংলাদেশ ব্যবসায়িক পরিকল্পনা তৈরি করেছে। টিকফা থেকে বাংলাদেশ লাভবান হতে চায়। এসময় দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়াতে গভর্নমেন্ট টু গভর্নমেন্ট এবং বিজনেস টু বিজনেস পর্যায়ে অর্থবহ আলোচনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

 চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স বলেন, নতুন বাংলাদেশে সম্ভাবনার নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে। এসময় তিনি দুর্নীতি প্রতিরোধ ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নারীদের দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রাইভেট সেক্টরে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা বৃদ্ধিতে পদক্ষেপ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। বাংলাদেশে কর্মকালে চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স সাফল্যের অনেক চিহ্ন রেখে যেতে চান বলেও উল্লেখ করেন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহিম বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

#

কামাল/মেহেদী/রানা/সঞ্জীব/শামীম/২০২৫/১৯১০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                        নম্বর: ২৪৪৪

 

শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টার সাথে মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সের সাক্ষাৎ

 

ঢাকা, ৮ মাঘ (২২ জানুয়ারি):   

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেনের সাথে আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ইউএস অ্যামবাসির Charge d’Affairs Ambassador Tracey Ann Jacobson সাক্ষাৎ করেছেন।

 উপদেষ্টা বলেন, শ্রম পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে দেশের গার্মেন্টস শিল্প সেক্টরের জন্য সরকার, মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের নিয়ে আরএমজি বিষয়ক ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদ পুনর্গঠন করা হয়েছে।

মজুরি বৃদ্ধির বিষয়ে ইউএস অ্যামবাসির প্রতিনিধিদলের এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, নিম্নতম মজুরি বোর্ড নির্ধারিত বাৎসরিক ইনক্রিমেন্ট অর্থাৎ শতকরা ৫ ভাগ বিদ্যমান অবস্থায় অব্যাহত রাখা হয়েছে। সুপারিশকৃত বাৎসরিক ইনক্রিমেন্ট আরো শতকরা ৪ ভাগ বৃদ্ধি ১ ডিসেম্বর ২০২৪ থেকে কার্যকর করা হয়, যা জানুয়ারি মাসে প্রদানকৃত বেতনের সাথে দেওয়া হয়েছে। বেতন বৃদ্ধির সাথে বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ সম্পর্কিত অন্যান্য সুবিধা ও প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

বাংলাদেশ শ্রম আইন সংশোধনের বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, এক্ষেত্রে আইএলও এর পরামর্শ গ্রহণ করা হয়েছে এবং কাজ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে আইএলও এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কয়েকটি বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে আইএলওকে নিশ্চিত করা হয়েছে ত্রিপক্ষীয় পরামর্শমূলক কাউন্সিল এবং আরএমজির সাথে জাতীয় এবং সেক্টরাল পর্যায়ে ত্রিপক্ষীয় সামাজিক সংলাপ প্ল্যাটফর্মগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ।  

দেশের বন্দরগুলোকে অর্থনীতির চালিকাশক্তি উল্লেখ করে নৌপরিবহন উপদেষ্টা বলেন, চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরসমূহ দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দেশের প্রায় ২৯টি স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সকল বন্দরগুলোকে সমন্বিতভাবে সক্রিয় করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার ন্যাশনাল পোর্ট স্ট্র্যাটেজি প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এ সকল সেক্টরে উপদেষ্টা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বিনিয়োগের আহ্বান জানান। এছাড়া চট্টগ্রাম বন্দরের তত্ত্বাবধানে বে-টার্মিনাল নির্মাণের কাজ এগিয়ে যাচ্ছে, যেখানে দুবাই এবং সিঙ্গাপুর বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এছাড়া মাতারবাড়িতে দেশের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ করা হচ্ছে। ২০৩০ সালে এ বন্দরের কার্যক্রম চালু করা হবে। এ সময় উপদেষ্টা মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সকে চট্টগ্রাম-সহ অন্যান্য বন্দর এবং শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ড পরিদর্শনের আহ্বান জানান।

সাক্ষাৎকালে ইউএস অ্যামবাসির প্রতিনিধিবৃন্দ শ্রম আইন সংশোধনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন পরিদপ্তরের কার্যক্রম হিসেবে কলকারখানা পরিদর্শন এবং নারী শ্রমিকদের কর্মক্ষেত্রে হয়রানি বন্ধে ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

#

মালেক/মেহেদী/রানা/সঞ্জীব/শামীম/২০২৫/১৯০০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                        নম্বর: ২৪৪৩

 

ভোটার তালিকা নিবন্ধন আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি শুরু

 

ঢাকা, ৮ মাঘ (২২ জানুয়ারি):   

সঠিক ও নির্ভুল ভোটার তালিকা প্রণয়নে নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচি,
২০২৫-এ বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারযোগ্য ব্যক্তিদের তথ্য সংগ্রহ ও সুপারভাইজার কর্তৃক তা যাচাই গত ২০ জানুয়ারি ২০২৫ শুরু হয়েছে এবং নিবন্ধন কার্যক্রম আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি হতে ১১ এপ্রিল ২০২৫ পর্যন্ত চলমান থাকবে।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানা যায়।

#

আখতার/মেহেদী/সঞ্জীব/শামীম/২০২৫/১৮৩৫ঘণ্টা

Handout                                                                                                                   Number: 2442

 

Bangladesh Urges Collective Action for Climate Justice at Capacity Building Workshop

 

Dhaka, 22 January:

Syeda Rizwana Hasan, Advisor to the Ministry of Environment, Forest and Climate Change and the Ministry of Water Resources, has called for unified efforts to tackle the challenges of climate change. Speaking as the chief guest at the Capacity Building Workshop on Paris Agreement Article 6 Implementation, held at the Department of Environment at  Agargaon in Dhaka today. She emphasized the importance of minimizing environmental harm while striving to meet mitigation targets.

The Advisor ‍stated, Market-driven solutions have a role, but my humble request is to prepare ourselves for the challenges of climate change. Together, we must work to limit global temperature rise to 1.5 degrees Celsius. Failure to do so will endanger the existence of vulnerable countries like ours. Let the urgency of this crisis inspire us to achieve our future aspirations.

Highlighting the potential of market mechanisms, the Environment Advisor said, Mitigating through trading comes with a price, but it also offers opportunities to improve governance standards and operational efficiency. For instance, Clean Development Mechanism (CDM) projects in the energy sector can address gas emissions and improve efficiency across industries.

The Advisor also underscored the health impacts of air pollution particularly on rural women using inefficient stoves. With modest investment, we can scale up initiatives that save lives by targeting air quality improvements. The government is focusing on investments that prioritize saving lives over creating extravagant infrastructure, she remarked.

Discussing climate justice, Syeda Rizwana Hasan said, The demand for climate justice must center on mitigation. While countries like Bangladesh have had voluntary obligations historically, the Paris Agreement now extends this framework globally. Mechanisms like Article 6 and Article 6.4 pose challenges in ensuring fair responsibility sharing, but they also offer opportunities for carbon trading and collaboration. She noted Bangladesh’s enthusiasm for forest protection and greening the coastal belt, not only to protect communities from natural disasters but also to engage in global carbon markets.

The Advisor ‍stated, We can enhance efficiencies in forest management, air quality, and energy use. Beyond this, we must connect with communities directly impacted by climate change and align our efforts with international frameworks. Climate justice demands that those historically responsible for emissions lead mitigation efforts, she concluded.

Dr. Farhina Ahmed, Secretary, Ministry of Environment, Forest, and Climate Change, addressed the event as a special guest, while Dr. Md. Kamruzzaman, Director General of the Department of Environment, presided over the workshop. Prominent international and national stakeholders also spoke at the event, including Håkon Arald Gulbrandsen, Ambassador of Norway to Bangladesh; Satoru IINO, Director of the Joint Crediting Mechanism and International Carbon Market, Ministry of Environment, Japan; Samsoo KIM, Trade Representative, Embassy of the Republic of Korea; Gyongshim An, Program Leader for Sustainable Development, World Bank Bangladesh; and others from organizations such as Winrock International and the Institute for Global Environmental Strategies (IGES).

#

Dipankar/Mehedi/Rana/Sanjib/Shamim/2025/1725 hour

তথ্যবিবরণী                                                                                                        নম্বর: ২৪৪১

 

জলবায়ু ন্যায্যতার জন্য সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান পরিবেশ উপদেষ্টার

 

ঢাকা, ৮ মাঘ (২২ জানুয়ারি):   

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একতাবদ্ধভাবে কাজ করা জরুরি। আজ পরিবেশ অধিদপ্তরের আগারগাঁও কার্যালয়ে ‘প

2025-01-22-17-03-00596e7cb44db641f745f0c8b9604aa1.docx