Handout Number: 2998
Senator Gary Peters meets the Foreign Adviser
Dhaka, 18 March:
US Senator Gary C. Peters had a courtesy meeting with the Foreign Adviser Md. Touhid Hossain at the State Guest House ‘Padma’ today. The US CDA a.i. to Bangladesh Ambassador Tracey Ann Jacobson was present at the meeting. The meeting was also attended by the accompanying delegates of the Senator, senior diplomats from the US Embassy in Dhaka, and officers from the Ministry of Foreign Affairs. The meeting discussed key areas of bilateral relations including trade, investment, development cooperation, people-to-people connections, cyber security, and climate resilience.
The Foreign Adviser warmly welcomed Senator Gary Peters and thanked him for his first-ever visit to Bangladesh. He apprised the Senator of the reform initiatives by the Government led by Professor Dr Muhammad Yunus and the preparations for holding a free, fair, and participatory election. The Senator appreciated the ongoing initiatives and reiterated for continued support of the United States in democratic transition of Bangladesh.
During the discussions, both sides exchanged views on excellent collaboration, emphasising the need to enhance trade relations, technological exchanges, and security cooperation between the two friendly countries. The Foreign Adviser mentioned that some quarters from home and abroad are spreading misinformation and disinformation about Bangladesh. He urged the Senator to reflect the true scenario of Bangladesh to help us fight against those. The Senator took a note of it.
The Foreign Adviser highlighted the significant challenges Bangladesh faces in hosting the forcibly displaced Rohingyas and emphasised the critical need for their sustainable repatriation to their homeland in Myanmar. He also sought the cooperation of the USA in partnering with Bangladesh at the international conference on Rohingyas to be held in New York later this year. Senator Gary Peters highly praised the generous humanitarian support of Bangladesh and assured him of the US support for the repatriation of Rohingyas.
Senator Gary Peters mentioned the praiseworthy contributions of the Bangladesh community in his State of Michigan and also in the USA as a whole. He also emphasized the importance of deepening cooperation in addressing shared challenges, including climate change.
The meeting concluded with the commitment to furthering the Bangladesh-U.S. partnership and exploring new avenues of cooperation. Senator Peters conveyed his appreciation for Bangladesh’s hospitality and reaffirmed the United States’ steadfast support in advancing mutual interests. The meeting was followed by an iftar and dinner.
#
Kamrul/Mehedi/Rafiqul/Joynul/2025/2205 hour
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৯৯৭
হারিয়ে যাওয়া উদ্ভিদ ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার
- পরিবেশ ও বন উপদেষ্টা
ঢাকা, ৪ চৈত্র (১৮মার্চ):
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, হারিয়ে যাওয়া পাঁচটি উদ্ভিদ ও বিলুপ্তপ্রায় পাঁচটি প্রাণী ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী জীববৈচিত্র্য দিবসের আগেই এ কার্যক্রম সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
আজ মিরপুর ন্যাশনাল বোটানিক্যাল গার্ডেন সংলগ্ন বাংলাদেশ ন্যাশনাল হার্বেরিয়ামে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সরকার নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে। জীববৈচিত্র্য আইন অনুযায়ী জীববৈচিত্র্য রেজিস্টার করা হবে। সংকটাপন্ন গাছ ও হারিয়ে যাওয়া উদ্ভিদের ওপর গবেষণা বাড়ানো হবে। এসব নিয়ে একটি বুকলেট প্রকাশ করা হবে, যাতে সংশ্লিষ্টরা সহজেই তথ্য পেতে পারেন।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, ন্যাশনাল হার্বেরিয়াম শুধু সংরক্ষণের জায়গা নয়, গবেষণা ও শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। গবেষণার গুণগত মান বাড়াতে বন বিভাগের সঙ্গে সমন্বয়ের নির্দেশনা দেন তিনি।
এর আগে উপদেষ্টা ন্যাশনাল হার্বেরিয়ামের উদ্ভিদ মিউজিয়াম ও পরে জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ; যুগ্মসচিব শামিমা বেগম; প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী; ন্যাশনাল হার্বেরিয়ামের পরিচালক মো. রেজাউল করিম; জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যানের পরিচালক শওকত ইমরান আরাফাত-সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
#
দীপংকর/মেহেদী/রফিকুল/শামীম/২০২৫/২১৩৫ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৯৯৬
ওমরাহ ভিসা বন্ধ করেনি সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়
- ধর্ম উপদেষ্টা
ঢাকা, ৪ চৈত্র (১৮মার্চ):
ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন জানিয়েছেন, বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ওমরাহ ভিসা বন্ধ করেনি সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়। ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত এ বিষয়টি ধর্মসচিবকে নিশ্চিত করেছেন। রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের এজেন্সিগুলোকে বিমান টিকেট ও হোটেল বুকিংয়ের ডকুমেন্ট-সহ সৌদি ওমরাহ কোম্পানি বা এজেন্টের মাধ্যমে সেদেশের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন।
আজ সচিবালয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্রেস ব্রিফিংয়ে উপদেষ্টা এ তথ্য জানান।
ওমরাহ যাত্রীদের টিকিটের অর্থ ফেরত প্রদানের বিষয়ে ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, টিকিট সংগ্রহকারী কোনো ওমরাহযাত্রী ভ্রমণে অনিচ্ছুক হলে বিধি মোতাবেক তাকে টাকা ফেরত প্রদান করবে বাংলাদেশ বিমান। আর রমজান মাসে ভিসা না পাওয়ার কারণে যারা ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যেতে পারবেন না তাদের সাথে আলোচনাপূর্বক ঈদুলফিতরের পরে জুন এবং জুলাই মাসে ওমরাহ পালনের সুযোগ রেখে টিকিট পরিবর্তন করে দিচ্ছে সাউদিয়া এয়ারলাইন্স।
ড. খালিদ জানান, সৌদি সরকারের হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয় চার শতাধিক সৌদি ওমরাহ কোম্পানিকে বিভিন্ন দেশের এজেন্সির সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে ওমরাহ কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব দিয়ে রেখেছেন। এই কোম্পানিসমূহের অনুকূলে প্রতিবছর ওমরাহ যাত্রীর কোটা নির্ধারিত থাকে। এই নির্ধারিত কোটা শেষ হয়ে গেলে উক্ত কোম্পানির সাথে সংশ্লিষ্ট দেশের ভিসা প্রদান কার্যক্রম বন্ধ করা হয়। বাংলাদেশে অনুমোদিত ওমরাহ এজেন্সির পাশাপাশি সৌদি আরবের নুসুক অ্যাপের আইডি ও পাসওয়ার্ড প্রাপ্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ওমরাহ কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে।
ড. খালিদ আরো বলেন, এদেশের ওমরাহ যাত্রীদের ভিসা প্রদান করা হচ্ছে না-এ বিষয়টি অবহিত হওয়ার পরপরই ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ঢাকাস্থ সৌদি দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ করা হয়। প্রথমে ভিসা প্রদান কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়ে মৌখিকভাবে অনুরোধ জানানো হয়। পরবর্তীতে ভিসা প্রদান কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়ে ঢাকাস্থ সৌদি দূতাবাসের রাষ্ট্রদূতকে ডিও পত্র প্রেরণ করা হয়।
উপদেষ্টা বলেন, বিমানের টিকিট সংগ্রহ করেছেন এমন ওমরাহযাত্রীরা যাতে রমজান মাসেই ওমরাহ পালন করতে যেতে পারেন সেলক্ষ্যে জেদ্দায় বাংলাদেশ হজ কাউন্সিলর সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন।
দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে উপদেষ্টা বলেন, হজ ও ওমরাহসহ ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সার্বিক বিষয়ে আমরা সর্বদা তৎপর রয়েছি, দেশবাসীর খেদমতে কাজ করে যাচ্ছি। হজ এবং ওমরাহ পালনে এদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ যাতে কোনো জটিলতা বা সংকটের সম্মুখীন না হন সে বিষয়ে সচেষ্ট আছি।
এ সময় ধর্মসচিব একেএম আফতাব হোসেন প্রামানিক, অতিরিক্ত সচিব মোঃ মতিউল ইসলাম, হাব সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ার ও সাধারণ সম্পাদক ফরিদ আহমদ মজুমদার, উপদেষ্টার একান্ত সচিব ছাদেক আহমদ-সহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
#
আবুবকর/মেহেদী/ফেরদৌস/রফিকুল/শামীম/২০২৫/২১৩০ঘণ্টা
Handout Number: 2995
Government Takes Initiative to Restore Lost Plant Species
--- Syeda Rizwana Hasan
Dhaka, 18 March:
Syeda Rizwana Hasan, Advisor to the Ministry of Environment, Forest, and Climate Change, has announced a government initiative to restore five lost plant species and five endangered animal species. The plan aims to complete this initiative before the upcoming International Day for Biological Diversity.
She shared this information during a discussion with officials and staff at the Bangladesh National Herbarium, adjacent to the Mirpur National Botanical Garden today.
The Environment Advisor highlighted the government's ongoing efforts to conserve biodiversity. She stated that a biodiversity register would be created under the Biodiversity Act. Research on endangered and lost plant species will be expanded and a booklet will be published to provide relevant information to stakeholders.
She emphasized that the National Herbarium is not just a conservation center but also a crucial hub for research and education. She directed the officials to enhance collaboration with the Forest Department to improve research quality.
Earlier, the Advisor visited the plant museum of the National Herbarium and later toured the National Botanical Garden.
During the visit, Secretary of the Ministry of Environment, Forest, and Climate Change Dr. Farhina Ahmed; Joint Secretary Shamima Begum; Chief Conservator of Forests Md. Amir Hossain Chowdhury; Director of the National Herbarium Md. Rezaul Karim; and Director of the National Botanical Garden, Shawkat Imran Arafat, along with other senior officials, were present.
#
Dipankar/Mehedi/Ferdows/Rafiqul/Joynul/2025/2100 hour
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৯৯৪
ডিজিজের প্যাটার্নে হিউম্যান ও এনিমেলকে আলাদা করা যাচ্ছে না
- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা
ঢাকা, ৪ চৈত্র (১৮মার্চ):
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, করোনার পূর্বে ও পরে ডিজিজের যে প্যাটার্ন সেখানে হিউম্যান ও এনিমেলকে আলাদা করা যাচ্ছে না। শীঘ্রই হাসপাতালে হিউম্যান ও এনিমেলের একই ওষুধ চলে আসবে। মানুষ ও প্রাণীকে আলাদা করা হলেও যখন প্রাণিসম্পদ দাবি করা হবে তখন মানুষ-সহ প্রাণী অন্তর্ভুক্ত হবে।
উপদেষ্টা আজ ঢাকাস্হ কেন্দ্রীয় ভেটেরিনারি হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে অডিটোরিয়ামে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন।
প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেন, কেন্দ্রীয় ভেটেরিনারি হাসপাতালে নানান সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও ভেটেরিনারি ডাক্তারদের রোগগুলোর ডায়াগনোসিস করার যে সক্ষমতা রয়েছে তা সত্যিই গর্বের। হাসপাতালের ডাক্তারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা অনেক ভালো কাজ করে যাচ্ছেন কিন্তু সে অর্থে প্রচারণা কম। তাই আপনাদের কার্যক্রম সম্পর্কে যেন জনগণ জানতে পারে সেলক্ষ্যে প্রচার কার্যক্রম আরো বাড়াতে হবে।
উপদেষ্টা বলেন, ভেটেরিনারি ডাক্তারা যেভাবে পোষা প্রাণী নিয়ে কাজ করছে তা প্রশংসার যোগ্য। আপনাদের পাশাপাশি সমাজে এনিমেল ওয়েলফেয়ার অনেক সংগঠন পোষা প্রাণী নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। উপদেষ্টা কেন্দ্রীয় ভেটেরিনারি হাসপাতালে জনবল ও পরিবহন সংকট দূরীকরণে এবং ডে-কেয়ার স্হাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবু সুফিয়ানের সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় ভেটেরিনারি হাসপাতালের পরিচালক ডা. মোঃ আব্দুল আজিজ আল মামুন-সহ ভেটেরিনারি হাসপাতালের কর্মকর্তারা এসময় বক্তৃতা প্রদান করেন।
উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় ভেটেরিনারি হাসপাতালে প্রাণীর চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সপ্তাহে রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার দুই শিফটে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা এবং দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়। এছাড়া শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা এবং শনিবার সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত প্রাণীর চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়।
#
মামুন/মেহেদী/ফেরদৌস/রফিকুল/শামীম/২০২৫/২০৩৫ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৯৯২
শ্রম খাতের উন্নয়নে শ্রমিকদের জন্য শোভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা হচ্ছে
- শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা
জেনেভা, ৪ চৈত্র (১৮ মার্চ):
শ্রম খাতের উন্নয়নে সকল অংশীজনের অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করতে ও টেকসই উন্নয়ন সাধনে জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলা হচ্ছে। গতকাল জেনেভায় আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার ৩৫৩তম গভর্নিং বডির অধিবেশনে বাংলাদেশের শ্রমখাতের উন্নয়ন নিয়ে দেওয়া ভাষণে শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ড. এম সাখাওয়াত হোসেন
এ কথা বলেন। অধিবেশনে আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত অধ্যাপক লুৎফে সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন।
গত নভেম্বরে সর্বশেষ অগ্রগতি প্রতিবেদনের পর বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে দ্বিতীয়বারের মতো এক্ষেত্রে অগ্রগতির ওপর আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে শ্রমিক ও ট্রেড ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়েরকৃত মামলাগুলোর অধিকাংশ বাতিল করেছে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ত্রিপক্ষীয় কমিটিগুলোতে প্রকৃত শ্রমিক ও মালিকের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করেছে।
শ্রম উপদেষ্টা জানান, জাতীয় ত্রিপক্ষীয় কাউন্সিলের সভায় চলমান শ্রম আইন সংশোধনের ক্ষেত্রে আইনটির আওতা অলাভজনক প্রতিষ্ঠানে সম্প্রসারণ, ব্যবস্থাপনা, তত্ত্বাবধান ও প্রশাসনিক পদের জন্য ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার সম্প্রসারণ, অন্যায্য শ্রম আচরণ ও ইউনিয়নবিরোধী বৈষম্যের শাস্তি তিনগুণ বর্ধিতকরণ, শিশুশ্রমের শাস্তি পাঁচগুণ বর্ধিতকরণ, জবরদস্তি শ্রম নিষিদ্ধকরণ, কর্মক্ষেত্রে নারীর প্রতি বৈষম্য, লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য ও সহিংসতা এবং জবরদস্তি শ্রমের শাস্তি নির্ধারণ, শ্রমিকদের কালো তালিকাভুক্তকরণ নিষিদ্ধ ও এর শাস্তির বিধান সংযোজনে ত্রিপক্ষীয় ঐকমত্যে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে। এছাড়া, ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দলিলাদি ও বাধ্যতামূলক সভা কমিয়ে আনা, ১০ কার্যদিবসের মধ্যে শ্রমিকের সংখ্যা প্রদানে মালিকের বাধ্যবাধকতা ও একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে নিবন্ধিত ইউনিয়নের সংখ্যা তিনটি থেকে পাঁচটিতে উন্নীতকরণেও সকলের ঐকমত্য হয়েছে বলে তিনি অবহিত করেন। ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধনের জন্য ন্যূনতম কর্মীর শতকরা হার বা সংখ্যার বিষয়-সহ কিছু বিষয়ে এখনো ঐকমত্য অর্জিত নাহলেও ত্রিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে তা অর্জিত হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। এর মাধ্যমে অচিরেই সরকার অধ্যাদেশ জারি করে আইনটির সংশোধন সুসম্পন্ন করবে বলেও তিনি জানান।
শ্রম উপদেষ্টা আরো বলেন, রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলসমূহের জন্য ইপিজেড শ্রম আইন সংশোধনে অংশীজনের সাথে আলোচনা চলমান রয়েছে। বাংলাদেশ শ্রম আইন সংশোধনের পর বিদ্যমান ইপিজেড শ্রম আইন ও সংশোধিত বাংলাদেশ শ্রম আইনের মধ্যে ফারাক বিশ্লেষণ করে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবে। কারখানা ও স্থাপনা পরিদর্শনের জন্য বিদ্যমান এসওপি অনুযায়ী শতকরা পঞ্চাশ ভাগ অঘোষিত পরিদর্শন হয়ে থাকে জানিয়ে তিনি বলেন, পরিদর্শকের শূন্যপদসমূহে দ্রুত নিয়োগ দেওয়া হবে।
#
মালেক/মেহেদী/ফেরদৌস/রফিকুল/শামীম/২০২৫/২০৩০ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৯৯৩
দপ্তর ও সংস্থা পরিদর্শনে তথ্য উপদেষ্টা
আইন-বিধি মেনে কাজের গতি বাড়ানোর তাগিদ
ঢাকা, ৪ চৈত্র (১৮ মার্চ):
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন পাঁচ দপ্তর ও সংস্থা পরিদর্শন করেছেন উপদেষ্টা মোঃ মাহফুজ আলম। উপদেষ্টা আজ দপ্তর ও সংস্থা পরিদর্শনে গিয়ে আইন-বিধি মেনে কর্মকর্তাদের কাজের গতি বাড়ানোর তাগিদ দেন।
পরিদর্শনের শুরুতে উপদেষ্টা তথ্য ভবনে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরে (ডিএফপি) যান এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় উপদেষ্টা সংবাদপত্রের প্রচারসংখ্যা নির্ধারণে স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি ডিএফপির প্রকাশনার মান বৃদ্ধি, প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ ও ডিএফপির সার্বিক উন্নয়নে করণীয় বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব উপস্থাপনের জন্য কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি ডিএফপির শুটিং ফ্লোর, সাউন্ড থিয়েটার ও ফিল্ম ল্যাব পরিদর্শন করেন এবং প্রয়োজনীয় সংস্কারের তাগিদ দেন।
এরপর উপদেষ্টা গণযোগাযোগ অধিদপ্তর পরিদর্শন করেন এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় উপদেষ্টা মাঠপর্যায়ে প্রচার কার্যক্রম বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং অধিদপ্তরের সার্বিক উন্নয়নে করণীয় বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব উপস্থাপনের জন্য কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।
গণযোগাযোগ অধিদপ্তর পরিদর্শন শেষে উপদেষ্টা বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট ও তথ্য অধিদফতর পরিদর্শন করেন এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। মতবিনিময়কালে তিনি বিদ্যমান আইন-বিধি মেনে সেবা সহজীকরণ ও কাজের গুণগত মান বৃদ্ধি করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের জন্য কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান। উপদেষ্টা দপ্তর ও সংস্থার উন্নয়নে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
#
মামুন/মেহেদী/ফেরদৌস/সঞ্জীব/রফিকুল/জয়নুল/২০২৫/২০০০ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৯৯১
যমুনা রেল সেতুর উদ্বোধন, উত্তরবঙ্গে ট্রেনযাত্রায় সময় বাঁচবে ত্রিশ মিনিটেরও বেশি
সিরাজগঞ্জ, ৪ চৈত্র (১৮ মার্চ):
যমুনা নদীর উপর নির্মিত ডুয়েল গেজ ডাবল লাইন সংবলিত ৪ দশমিক ৮ কি. মি. দৈর্ঘ্যের যমুনা রেল সেতু আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।
আজ টাঙ্গাইলের ইব্রাহিমাবাদ রেলস্টেশনে সেতুটি উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সেতু উদ্বোধন করেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানি রাষ্ট্রদূত মি. সাইদা সিনিচি এবং জাইকার দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক মহাপরিচালক মি. ইতো তেরুয়েকি।
১৬ হাজার ৭৮০ কোটি ৯৫ লাখ ৬৩ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুটি ঢাকার সাথে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের মধ্যে রেলযাত্রার সময় হ্রাস করবে ত্রিশ মিনিটেরও বেশি। যমুনা রেল সেতু চালু হওয়ায় ট্রেন প্রতি ঘন্টায় সর্বোচ্চ ১২০ কিলোমিটার গতিতে সেতু অতিক্রম করতে পারবে।
এ সেতুর মোট পিয়ার সংখ্যা ৫০টি এবং স্প্যান সংখ্যা ৪৯টি। ১ম সংশোধিত ডিপিপি অনুযায়ী ‘যমুনা রেলওয়ে সেতু নির্মাণ’ প্রকল্পটির অনুমোদিত ব্যয় ১৬,৭৮০.৯৫৬৩ কোটি টাকা [জিওবি ৪,৬৩১.৭৫৮৪ কোটি টাকা (২৭.৬০%) এবং জাইকার প্রকল্প সাহায্য ১২,১৪৯.১৯৭৯ কোটি টাকা (৭২.৪০%)]। প্রকল্পের অনুমোদিত মেয়াদকাল ০১.০৭.২০১৬খ্রি. হতে ৩১.১২.২০২৫ খ্রি. পর্যন্ত।
বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মোঃ আফজাল হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সকল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং রেলপথ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন যমুনা রেলওয়ে সেতু নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক আল ফাত্তাহ মোঃ মাসউদুর রহমান।
#
রেজাউল/মেহেদী/ফেরদৌস/সঞ্জীব/জয়নুল/২০২৫/১৯১০ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৯৯০
বিএফআইডিসি’র রাবার বাগানের ৩৮ হাজার একর জমির
লিজ নবায়ন: সরকারের আয় বৃদ্ধি ও জলবায়ু সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ
ঢাকা, ৪ চৈত্র (১৮ মার্চ):
বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফআইডিসি) ও বন অধিদপ্তরের মধ্যে ৪০ বছরের জন্য রাবার বাগানের লিজ নবায়ন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বন অধিদপ্তর কর্তৃক বিএফআইডিসিকে ১৮টি রাবার বাগানের জন্য ৩৮ হাজার ১৮৪ দশমিক ৪৮ একর জমি বিভিন্ন সময়ে হস্তান্তর করা হয়।
আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
চুক্তিতে বন অধিদপ্তরের পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রধান বন সংরক্ষক মোঃ আমীর হোসাইন চৌধুরী এবং বিএফআইডিসি’র পক্ষে কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মোঃ নাসির উদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, ২০০৩ সালে লিজ চুক্তির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় মন্ত্রণালয়ের বিশেষ উদ্যোগে এটি নবায়ন করা হলো।এ চুক্তির ফলে সরকারের আয় বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি, ভূমি জবরদখলমুক্ত করতে আইনগত জটিলতা দূর হবে। এছাড়া, প্রাকৃতিক রাবার চাষ জলবায়ু পরিবর্তনের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
#
দীপংকর/মেহেদী/ফেরদৌস/সঞ্জীব/জয়নুল/২০২৫/১৮০০ঘণ্টা
Handout Number: 2989
BFIDC’s Rubber Plantation Lease Renewal
for 38,184 Acres: A Key Step for Revenue Growth and Climate Protection
Dhaka, 18 March:
A 40-year lease renewal agreement for rubber plantations has been signed between the Bangladesh Forest Industries Development Corporation (BFIDC) and the Forest Department. Over the years, the Forest Department has officially transferred 38,184.48 acres of land for 18 rubber plantations to BFIDC.
The agreement signing ceremony took place today at the ministry’s conference room in the Bangladesh Secretariat.
The event was graced by the chief guest, Syeda Rizwana Hasan, Advisor to the Ministry of Environment, Forest, and Climate Change, and the Ministry of Water Resources.
On behalf of the Forest Department, Chief Conservator of Forests Md. Amir Hossain Chowdhury signed the agreement, while BFIDC Chairman Md. Nasir Uddin Ahmed signed on behalf of the corporation. The ceremony was attended by Dr. Farhina Ahmed, Secretary of the Ministry, along with senior officials from both organizations.
Speaking at the event, the Environment Advisor highlighted that the lease renewal was initiated by the ministry since the previous agreement had expired in 2003. She emphasized that this renewal would enhance government revenue, resolve legal complexities related to land encroachment, and contribute significantly to maintaining climate balance through natural rubber cultivation.
#
Dipankar/Mehedi/Ferdows/Sanjib/Joynul/1805 hour
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৯৮৮
পার্বত্য উপদেষ্টার সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
ঢাকা, ৪ চৈত্র (১৮ মার্চ):
আজ রাজধানীর বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স ভবনে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা’র সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার সাক্ষাৎ করেছেন।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টার সাথে সাক্ষাতে পার্বত্য চট্টগ্রামে লাইভলিহুড ডেভেলপমেন্ট, পার্বত্য অঞ্চলের পানি সংকট নিরসন, পরিবেশ সুরক্ষা, টপ সয়েল সেভ, ইকোট্যুরিজম, রিনিউবল এনার্জিখাতে ইইউ’র বিশেষ সহযোগিতামূলক বিনিয়োগের বিষয়ে আশ্বাস ব্যক্ত করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ’র রাষ্ট্রদূত।
বাংলাদেশের উন্নয়নে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের অংশগ্রহণের প্রশংসা করে উপদেষ্টা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে কোয়ালিটি এডুকেশন, দুর্গম এলাকার পানির সমস্যা নিরসন, লাইভলিহুড ডেভেলপমেন্ট, পরিবেশ সহায়ক ইট তৈরি এবং পরিবেশ ও প্রতিবেশ বজায় রেখে সোলার এনার্জি সংশ্লিষ্ট খাতে সহযোগিতার ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। ইইউ রাষ্ট্রদূত সোলার এনার্জি ও রিনিউয়েবল এনার্জিখাতে বিনিয়োগের ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেন। ইইউ প্রতিনিধি পার্বত্য অঞ্চলের পাহাড়ি ফলমূল এবং সবজির অধিকতর মার্কেটিং ব্যাপারে মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। উপদেষ্টা পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ে ইইউ রাষ্ট্রদূতের এরূপ ইচ্ছার প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
এ সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুল খালেক, অতিরিক্ত সচিব প্রদীপ কুমার মহোত্তম যুগ্ম সচিব কংকন চাকমা, ডেলিগেশন অভ্ দ্য ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন টু বাংলাদেশ এর ফার্স্ট কাউন্সিলর, টিম লিডার-গ্রিন ইনক্লুসিভ ডেভেলপমেন্ট মি. এডউইন কুক্ কুক্, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ও উপদেষ্টার একান্ত সচিব খন্দকার মুশফিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
#
রেজুয়ান/মেহেদী/ফেরদৌস/সঞ্জীব/জয়নুল/২০২৫/১৬৪৫ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৯৮৭
নৌপথের যাত্রীদের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সকলকে
আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান নৌপরিবহন উপদেষ্টার
ঢাকা, ৪ চৈত্র (১৮ মার্চ):
আসন্ন ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন নৌপথের যাত্রীদের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন নৌপরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।
উপদেষ্টা আজ নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর ২০২৫ উপলক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন নৌপথে জলযানসমূহ সুষ্ঠুভাবে চলাচল এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ যথাযথ কর্মপন্থা গ্রহণের লক্ষ্যে আয়োজিত সভায় জুম প্লাটফর্মে সংযুক্ত হয়ে এ আহ্বান জানান।
উপদেষ্টা বলেন, আসন্ন ঈদে দেশের বিভিন্ন নৌপথে জলযানসমূহ সুষ্ঠুভাবে চলাচল এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দূরপাল্লার লঞ্চগুলোতে সশস্ত্র আনসার মোতায়েন করা হবে। নৌপুলিশ, কোস্ট গার্ড এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে নৌপথের বিশেষ অপরাধপ্রবণ জায়গাগুলোতে বিশেষ টহল কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন গন্তব্যের যাত্রী ও যানবাহন সমূহকে ফেরি ও যাত্রীবাহী জাহাজে সার্বক্ষণিক সেবা প্রদানের জন্য বিআইডব্লিউটিসি’র কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে। সম্মানিত যাত্রী ও যানবাহনসমূহকে প্রয়োজনে ০২২২৩৩৬২৭৭৯ ও ০১৪০৪৪৪৩৭০৭ নম্বরে যোগাযোগ করে সেবা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
উপদেষ্টা নৌদুর্ঘটনা রোধকল্পে ঈদের আগের ৫ দিন ও পরের ৫ দিন দিনে-রাতে সার্বক্ষণিক বাল্কহেড (বালুবাহী) চলাচল বন্ধ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন, সদরঘাট বা অন্যান্য ঘাটে যাদের ইজারা দেওয়া হয়েছে তারা যাত্রীদেরকে কোনোরূপ হয়রানি করতে পারবেন না। কোনো অতিরিক্ত চার্জ আদায় করতে পারবে না। বিআইডব্লিউটিএ-সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে তদারকি করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’ এ সময় উপদেষ্টা যে-সকল জলযানের ফিটনেস নেই তাদেরকে অবিলম্বে ফিটনেস সনদ গ্রহণের আহ্বান জানান। এ বিষয়ে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য উপদেষ্টা নির্দেশনা দেন। লঞ্চের অনুমোদিত ভাড়ার একটি চার্ট ঘাটসমূহে টাঙিয়ে রাখার জন্য বিআইডব্লিউটিসি’র চেয়ারম্যানকে নির্দেশনা দেন।
উপদেষ্টা আরো বলেন, আসন্ন ঈদযাত্রায় নৌপথে নৌযানগুলোতে অতিরিক্ত যাত্রী বহন এবং নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জরিমানার পাশাপাশি ক্ষেত্রবিশেষ অভিযুক্ত লঞ্চের রুট পারমিট বাতিল করা হবে। এসময় উপদেষ্টা জেলা প্রশাসকগণকে দেশের বিভিন্ন ফেরি ও লঞ্চ ঘাটগুলোতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার নির্দেশনা প্রদান করেন।
নৌপরিবহন উপদেষ্টা ঢাকার জিরোপয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত সড়ককে যানজটমুক্ত রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশনা প্রদান করেন। সভায় সদরঘাট টার্মিনাল ও লঞ্চসমূহ হকারমুক্ত রাখার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও যাত্রীদের নিরাপত্তা বিধানের জন্য ট্র্যাফিক পুলিশের পাশাপাশি আনসারসহ কমিউনিটি পুলিশের ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। নৌপথে ঈদযাত্রার প্রস্তুতি দেখতে উপদেষ্টা সদরঘাট-সহ নৌরুটের বিভিন্ন স্পটে আকস্মিক পরিদর্শনে যাবেন বলে সভাকে অবহিত করেন।
এসময় নৌপরিবহন উপদেষ্টা নৌপথের যাত্রীদের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, অফিসার-ইন-চার্জ এবং অন্