Wellcome to National Portal
তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
Text size A A A
Color C C C C

সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৮ মার্চ ২০২৫

তথ্যবিবরণী ১৭ মার্চ ২০২৫

তথ্যবিবরণী                                                                                                                   নম্বর: ২৯৮৫

মোবাইল ভেটেরিনারি ক্লিনিক বাংলাদেশের জন্য একটি বিশাল অর্জন

                                                             --- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

ঢাকা, ৩ চৈত্র (১৭ মার্চ):

            গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় মোবাইল ভেটেরিনারি ক্লিনিক (এমভিসি) এর সেবা পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এমভিসি একটি বড় অর্জন। তবে এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

            উপদেষ্টা আজ মহাখালীস্থ প্রাণিসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠান (এলআরআই) প্রাঙ্গণে ১১৫টি উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরে মোবাইল ভেটেরিনারি ক্লিনিক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

            উপদেষ্টা বলেন, এমভিসি গাড়ির মতো চার চাকা হলেও এটি গাড়ি নয়, এটি হচ্ছে একটি হাসপাতাল। যেখানে প্রাণী চিকিৎসার সকল কিছুই থাকছে। থাকছেন একজন সার্জনও। এ সময়ে উপদেষ্টা প্রাণিসম্পদ আধিপ্তরের মহাপরিচালক-সহ সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশ্যে বলেন, এই সেবাটি প্রত্যন্ত খামারিদের কাছে পৌঁছাতে হবে। এর অন্য কোনো ব্যবহার যাতে না হয় এ দিকে নজর দিতে হবে।

            প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেন, অনেক সময় দেখা যায় বড় বা বাণিজ্যিক খামারগুলোকে আমরা সেবা দেই। এক্ষেত্রে তাদের সেবার পাশাপাশি গ্রামীণ এবং প্রত্যন্ত খামারিদের কাছে পৌঁছানোর ব্যবস্থা নিতে হবে। তারা যাতে এ সেবার বিষয়ে জানতে পারেন তারও উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান তিনি।

             মোবাইল ভেটেরিনারি ক্লিনিকের সেবাটি ফ্রি ও ভালো উদ্যোগ উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, প্রাণীর সেবায় চালু হচ্ছে এমভিসি। তবে এটির সেবা নিশ্চিত করার জন্য ভেটেরিনারি ডাক্তারদের সচেতন এবং সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি আরো বলেন, মানুষের নিরাপদ আমিষ নিশ্চিত করতে এই ভেটেরিনারি ক্লিনিক বা  ‘প্রাণীর পাশেই ডাক্তার’ এর গুরুত্ব বেশি। কোনো প্রাণী অসুস্থ্য হলে তার আশ পাশের অনেক প্রাণীও অসুস্থ হতে পারে। এ বিষয়টি বিবেচনায় রেখে সব প্রাণীর সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

            প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবু সুফিয়ানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নিলুফা আক্তার, মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. মোঃ বয়জার রহমান, প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ডা. মোঃ জসিম উদ্দিন, শৈলকূপা সম্মিলিত খামারি পরিষদ ও কৃষক ফেডারেশনের মুখপাত্র  মোঃ তানজীর আলম রবিন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, বিভিন্ন প্রকল্পের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও পরামর্শক, প্রাণিসম্পদ খাতের বিজ্ঞানী-গবেষক, উদ্যোক্তা এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

            এরপূর্বে এমভিসির ওপর নির্মিত একটি টিভি বিজ্ঞাপন, একটি প্রামাণ্যচিত্র ও একটি সাফল্যগাঁথা প্রদর্শন করা হয়।

            উল্লেখ্য, ‘প্রাণীর পাশেই ডাক্তার’ এই থিমকে ধারণ করে প্রান্তিক খামারিদের দোরগোড়ায় আধুনিক ও জরুরি প্রাণিচিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেবার লক্ষ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি) হতে তৃতীয় ও শেষ ধাপে আরো ১১৫টি এমভিসি অবশিষ্ট উপজেলাতে আজ বিতরণ করা হয়। এ নিয়ে ৪৬৬টি উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরে এমভিসি বিতরণ করা হলো।

#

মামুন/ফেরদৌস/সঞ্জীব/রফিকুল/জয়নুল/২০২৫/২০১০ঘণ্টা

Handout                                                                                                           Number: 2984

Initiative to Transfer 9 thousand 467 Acres of Land in Sonadia to the Forest Department: Forest Department to Declare Protected Area

Dhaka, 17 March:

            The government has taken the initiative to transfer 9 thousand 467 acres of land in Sonadia, Maheshkhali Upazila, Cox's Bazar, to the Forest Department to protect the environment and biodiversity of the area. The process of transferring the land, previously allocated to the Bangladesh Economic Zones Authority (BEZA) for the establishment of an eco-tourism park, to the Forest Department has begun.

            Director (Investment Development and Monitoring-1) of BEZA Shahin Akter Sumi requested the Deputy Commissioner of Cox's Bazar to take necessary steps in this regard yesterday. This initiative has been undertaken by the Ministry of Environment, Forest, and Climate Change.

            Illegal activities such as tree cutting and shrimp farming on the allocated land have caused severe damage to the island's environment and biodiversity. In light of this situation, the decision has been made to transfer the allocated land to the Forest Department. Various measures will be taken to restore the environment of the 9 thousand 467-acre forest area.

            The initiatives include:  Eviction of illegal encroachments, Removal of barriers at the mouths and branches of canals to facilitate tidal water flow,  Restoration of sand dunes and beach conservation, Reforestation with various mangrove and non-mangrove species such as kaw, keya, nishinda, coconut, palm, and gotivanga along connecting roads, Rehabilitation of degraded mangrove forests. 

            Additionally, the 9 thousand 467-acre forest area will be declared a protected area with public participation. This will ensure biodiversity conservation, halt illegal activities, and bring positive changes in tackling natural disasters.

#

Dipankar/Ferdows/Sanjib/Joynul/2025/1930 hour

তথ্যবিবরণী                                                                                                  নম্বর: ২৯৮৩

 

ভারত এবং ভিয়েতনাম থেকে ৩৫ হাজার

মেট্রিক টন চাল নিয়ে দু’টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে

 

ঢাকা, ৩ চৈত্র (১৭ মার্চ):

          উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ভারত থেকে ২২ হাজার ৫ শত মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল নিয়ে mv TANAIS DREAM এবং জি টু জি চুক্তির আওতায় (২য় চালান) ভিয়েতনাম থেকে  ১২  হাজার ৫ শত মেট্রিক টন আতপ চাল নিয়ে mv HONG LINH 1 জাহাজ দু’টি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে।

          উল্লেখ্য, ভিয়েতনাম থেকে জি টু জি ভিত্তিতে মোট ১ লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির চুক্তি হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম চালানের ১৭ হাজার ৮ শত মেট্রিক টন চাল ইতোমধ্যে দেশে পৌঁছেছে।

          জাহাজে রক্ষিত চালের নমুনা পরীক্ষা শেষে চাল খালাসের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

#

ইমদাদ/ফেরদৌস/রফিকুল/জয়নুল/২০২৫/২২০০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                         নম্বর: ২৯৮২ 

সোনাদিয়ার ৯ হাজার ৪৬৭ একর জমি বন বিভাগের অনুকূলে

হস্তান্তরের উদ্যোগ: রক্ষিত এলাকা ঘোষণা করবে বন বিভাগ

 

ঢাকা, ৩ চৈত্র (১৭ মার্চ):  

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার সোনাদিয়ার পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ৯ হাজার ৪৬৭ একর জমি বন বিভাগের অনুকূলে হস্তান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ইকো-ট্যুরিজম পার্ক স্থাপনের জন্য বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)-এর অনুকূলে বরাদ্দকৃত জমি বন বিভাগের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।

গতকাল বেজার পরিচালক (বিনিয়োগ উন্নয়ন ও মনিটরিং-১) শাহীন আক্তার সুমী কক্সবাজারের জেলা প্রশাসককে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেছেন। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

ইকোপার্কের জন্য বরাদ্দকৃত জমিতে অবৈধভাবে গাছ কাটা, চিংড়িঘের নির্মাণ-সহ পরিবেশ বিধ্বংসী কার্যক্রম চলায় দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। এ অবস্থায়, বরাদ্দকৃত জমি বন বিভাগের অনুকূলে হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ৯ হাজার ৪৬৭ একর বনভূমির পরিবেশ পুনরুদ্ধারে বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নেওয়া হবে।

এসব কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে জবরদখলমুক্তকরণ, খালের মুখ ও শাখা-প্রশাখার বাঁধ অপসারণ করে জোয়ারের পানি প্রবেশ সুগম করা, বালিয়াড়ী পুনরুদ্ধার ও বিচ সংরক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ, জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধারে বিভিন্ন ম্যানগ্রোভ ও নন-ম্যানগ্রোভ, কাউ, কেয়া, নিশিন্দা, নারিকেল, তাল এবং ঘটিভাঙ্গার সাথে সংযোগকারী রাস্তায় বনায়ন কার্যক্রম সম্পাদন করা হবে এবং অবক্ষয়িত ম্যানগ্রোভ বন পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হবে।

এছাড়া, জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে ৯ হাজার ৪৬৭ একর বনভূমিকে রক্ষিত এলাকা ঘোষণা করা হবে। ফলে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষিত হবে, অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ হবে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

#

দীপংকর/ফেরদৌস/সঞ্জীব/শামীম/২০২৫/১৮৫৫ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                     নম্বর: ২৯৮১

নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে রাত ১১ টা থেকে সকাল ৭ টা পর্যন্ত সেচ পাম্প চালুর অনুরোধ

ঢাকা, ৩ চৈত্র (১৭ মার্চ):  

আসন্ন গ্রীষ্ম ও সেচ মৌসুম এবং রমজান মাসে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে রাত ১১ টা থেকে সকাল ৭ টা পর্যন্ত সেচ পাম্প চালু রাখার অনুরোধ জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। এছাড়া বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিতে ওয়েট এন্ড ড্রাই পদ্ধতিতে সেচ কাজ সম্পাদন করার জন্য বলা হয়েছে।

লোডশেডিং এড়াতে এসি’র তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার উপরে রাখাসহ দোকান, শপিং মল, পেট্রোল পাম্প ও সিএনজি স্টেশনে অতিরিক্ত বাতি ব্যবহার ও আলোকসজ্জা পরিহার করতেও অনুরোধ করা হয়েছে। কোনো কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে ‍বিদ্যুৎ বিভাগের হটলাইন ১৬৯৯৯ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

অপর হটলাইনগুলো হলো বিদ্যুৎ বিভাগের কন্ট্রোল রুম-০২-৪৭১২০৩০৯, ০১৭৩৯-০০০২৯৩, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ১৬২০০, ০১৭০৮-১৪৯৫০২, ০১৭০৮-১৪৯৫০৩, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ১৬৮৯৯, ০২-৮৯০০৫৭৫, ০১৭৯২-৬২৩৪৬৭, ডিপিডিসি ১৬১১৬, ডেসকো ১৬১২০, নেসকো ১৬৬০৩, ওজোপাডিকো হটলাইন ১৬১১৭ ও কন্ট্রোল রুম ০২-৪৭৭৭২৪৪৭২, ০১৭৫৫৫৬৮৭৮১।          

#

মমতাজ/তৌহিদ/শাহিদা/মিতু/রমজান/সাঈদা/আসমা/২০২৫/১৩৫০ ঘণ্টা  

তথ্যবিবরণী                                                                                  নম্বর: ৩৭

টেলিভিশন চ্যানেলে স্ক্রল আকারে প্রচারের জন্য

সকল ইলেকট্রনিক মিডিয়া

ঢাকা, ৩ চৈত্র (১৭ মার্চ):

সরকারি-বেসরকারি টিভি চ্যানেলসহ অন্যান্য ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় নিম্নোক্ত বার্তাটি স্ক্রল আকারে প্রচারের জন্য অনুরোধ করা হলো: 

মূলবার্তা :

          আসন্ন গ্রীষ্ম ও সেচ মৌসুম এবং পবিত্র রমজান মাসে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য রাত ১১টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত সেচ পাম্প চালু রাখুন; এসি’র তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস বা তার উপরে রাখুন; অতিরিক্ত বাতি ব্যবহার ও আলোকসজ্জা পরিহার করুন এবং যে কোনো অভিযোগ বা তথ্যের জন্য ১৬৯৯৯ এ যোগাযোগ করুন-বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।

#

মমতাজ/তৌহিদ/শাহিদা/মিতু/রমজান/মাসুম/২০২৫/১০৫৫ ঘণ্টা 

2025-03-17-16-02-7be48bb7e81c32bc456541dba547bfd8.docx