কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬ এ ১১:৩২ AM
কন্টেন্ট: সকল নোট বিভাগ: তথ্যবিবরণী প্রকাশের তারিখ: ০৪-০৩-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ০৪-০৩-২০২৬
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৭৫০
বৈদেশিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও প্রবাসী কল্যাণে গঠিত কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত
ঢাকা, ১৯ ফাল্গুন (৪ মার্চ):
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, এখন থেকে প্রতি সপ্তাহে বিদেশের শ্রম বাজার সম্প্রসারণের হালনাগাদ প্রতিবেদন উপস্থাপন করতে হবে। এক্ষেত্রে কোনো প্রকার শৈথল্য দেখানো যাবেনা।
আজ ঢাকায় প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বৈদেশিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও প্রবাসী কল্যাণে গঠিত কমিটির প্রথম সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বিদেশি কর্মীর চাহিদা, নিরাপদ কর্মপরিবেশ, শতভাগ শ্রম অধিকার ও উচ্চ বেতনের নিশ্চয়তা থাকায় বৈদেশিক কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে জাপান বাংলাদেশের জন্য সম্ভাবনাময় একটি শ্রমবাজার।
সভায় জানানো হয়, বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে জাপান প্রধানত চারটি ভিসা ক্যাটেগরিতে কর্মী গ্রহণ করে থাকে। Japan Times এর ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ এর প্রতিবেদন অনুসারে বর্ণিত চারটি ক্যাটেগরির মধ্যে শুধুমাত্র ESD এবং SSW ক্যাটেগরিতে আগামী মার্চ ২০২৯ সালের মধ্যে জাপান ১২ লাখের অধিক বিদেশি কর্মী নিয়োগ করবে। অন্যদিকে বাংলাদেশের সর্বশেষ জনশুমারি মোতাবেক দেশের অভ্যন্তরের শ্রমিকের চাহিদা পূরণের পর বর্তমান প্রায় ২ দশমিক ৫ কোটি অতিরিক্ত working-age population রয়েছে। দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারলে যার একটি বিরাট অংশ জাপানে কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে এবং বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব হবে।
বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে আগামী পাঁচ বছরে ১ কোটি বাংলাদেশী কর্মীর প্রবাসে কর্মসংস্থানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সে লক্ষ্যে দেশভিত্তিক কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে জাপানে বাংলাদেশী কর্মীদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় আজ বৈদেশিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও প্রবাসী কল্যাণে গঠিত কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় জাপানি ভাষা শিক্ষক/প্রশিক্ষক নিয়োগ ও চাহিদা অনুসারে দক্ষ জনশক্তি প্রস্তুতকরণ, জাপানে ল্যাংগুয়েজ স্টুডেন্ট ভিসায় শিক্ষার্থী প্রেরণের হার বৃদ্ধিকরণ, বাংলাদেশে Specified Skilled Worker(SSW) এর ১৬টি ফিল্ডের মধ্যে ৬টির টেস্ট গ্রহণ করা হবে। অপর ১০টি ফিল্ডের স্কিল টেস্ট শুরুকরণ, ঢাকায় জাপান ফাউন্ডেশনের অফিস স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ, SSW I ESD পদ্ধতির জন্য যথাযথ প্রস্তুতি গ্রহণ পূর্বক জাপানি কোম্পানির নিকট হতে কর্মীর চাহিদা সংখ্যা বৃদ্ধি নিশ্চিতকরণ, বাংলাদেশের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে জাপানের ভাষা প্রশিক্ষকের সংখ্যা বৃদ্ধিকরণ, শ্রমবাজার সার্চ করে জাপানের বাংলাদেশ দূতাবাস প্রতিবেদন প্রেরণ করবে এবং জাপানিজ ভাষা টেস্টের আসন সংখ্যা ও টেস্ট সেন্টার বৃদ্ধি করা বিষয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়।
এছাড়াও পর্যায়ক্রমে সকল কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি)তে জাপানিজ ভাষা শিক্ষা কোর্স চালুকরণ এবং স্থানীয় পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক দেশী জাপানিজ ভাষা প্রশিক্ষক নিয়োগ করা। সরাসরি নিয়োগের পাশাপাশি ‘ভার্চুয়াল টিচিং’ প্ল্যাটফর্মে জাপানিজ প্রশিক্ষক নিয়োগ করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
সভায় কমিটির সদস্য প্রধানমন্ত্রীর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড.নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড.নাজনীন কাওসার চৌধুরী, জাপানের ঐতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুল ফ্যাকাল্টি ড. মো শাকিরুল ইসলাম খানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং দপ্তর/সংস্থার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
#
মামুন/পবন/রফিকুল/কনক/জয়নুল/২০২৬/২১৩০ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৭৪৯
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশকে নতুন করে বিনির্মাণ করতে চাই
--- সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
ঢাকা, ১৯ ফাল্গুন (৪ মার্চ):
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আবু জাফর জাহিদ হোসেন বলেছেন, জনগণের ভালোবাসা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিনির্মাণের সুযোগ পেয়েছি। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে চাই।
মন্ত্রী আজ ঢাকায় মিন্টু রোডস্থ শহিদ আবু সাঈদ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টার (বিএমইউ) এ সাবেক জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ, মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ সমূহের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন। ইফতার ও দোয়া মাহফিল উদ্যাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ডাক্তার রফিকুল কবীর লাবু, সদস্য সচিব ডাক্তার মোঃ খায়রুল ইসলাম সহ বিভিন্ন পর্যায়ের চিকিৎসকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জনগণ ১৫ বছর পর বিএনপিকে ভোট দিয়ে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে সেজন্য সমাজকল্যাণ মন্ত্রী শুকরিয়া আদায় করেন। তিনি বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা শহিদ জিয়াউর রহমানসহ যারা ’৭১ এবং ’২৪ এর আন্দোলনে শহিদ হয়েছেন তাদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন। যারা বিভিন্নভাবে অন্যায়, নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদেরসহ সবাইকে আগামী দিনের বাংলাদেশ বিনির্মাণে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, সবার আগে স্বাস্থ্য এবং জনকল্যাণে কীভাবে আরো বেশি সেবা দেওয়া যায় কীভাবে সকল সুযোগ সুবিধা দেওয়া যায় এ ব্যাপারে সরকার আন্তরিক। তিনি বলেন, আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর অনেক হাসপাতাল ঘুরে দেখেছি। সকল হাসপাতলে পর্যাপ্ত যন্ত্রাংশ রয়েছে। তিনি বলেন, সকল চিকিৎসকগণকে রোগীর সেবা দেওয়ার মনোভাব নিশ্চিত করতে হবে। যদিও দেশে জনসংখ্যার চেয়ে ডাক্তারের সংখ্যা কম, তারপরও যে সুযোগ-সুবিধা আছে এর মধ্যে থেকে অনেক উন্নতির সুযোগ রয়েছে। তিনি স্বাস্থ্য সেবায় বিত্তশালীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
#
রফিক/পবন/রফিকুল/কনক/জয়নুল/২০২৬/২১৩০ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৭৪৮
বিভিন্ন স্লোগানে বিআরটিসি মহিলা বাস চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার
ঢাকা, ১৯ ফাল্গুন (৪ মার্চ):
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী বিআরটিসি মহিলা বাস চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। যা মহিলা চালক, মহিলা কন্ডাক্টর এবং মহিলা হেলপারের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। সে লক্ষ্যে নারীবান্ধব বিআরটিসি বাসে নিম্নবর্ণিত স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে:
স্বস্তির আরেক নাম, নারী বন্ধব বিআরটিসি বাস। নারীর পথচলায় ভয়ের শেষ, নিরাপদ বাসেই এগোবে দেশ। নিরাপদ যাত্রা কর্মে গতি-নারীর হাতেও অর্থনৈতিক শক্তি। নিরাপদ পথচলায় নারী, সমৃদ্ধির দেশ গড়ি। নিরাপদ যাত্রা নারীর অধিকার, নারীবান্ধব বাস হোক সবার অঙ্গীকার। নারীর হাতে ঘুরবে চাকা, বদলে যাবে আগামীর ঢাকা। কর্মে যাবো মহিলা বাসে, ভোগান্তি পেরিয়ে উন্নতি আসে। নারী চালকের গাড়িতে, নিরাপদে ফিরি বাড়িতে। নারীর চালনায় যাত্রা করি, নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ি।
আজ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক পত্রের মাধ্যমে ‘মহিলা বাস সার্ভিস’ সংক্রান্ত বার্তা ও স্লোগানসমূহ বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ অন্যান্য টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৭৪৭
যারা জনগণের ভোগান্তির কারণ হবেন তাদের ছাড় দেওয়া হবে না
- গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী
ঢাকা, ১৯ ফাল্গুন (৪ মার্চ):
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেছেন, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করলে মন্ত্রণালয় সবসময় পাশে থাকবে। কিন্তু যারা জনগণের ভোগান্তির কারণ হবেন, তাদের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, জনগণ রাজউকের কাছে তাদের প্রয়োজন নিয়ে আসেন, অনুগ্রহ চাইতে নয়। কোনো ফাইল অযথা আটকে রাখা যাবে না। প্রতিটি কাজ নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। জনগণ যাতে বারবার অফিসে ঘুরতে বাধ্য না হন, তা সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে নিশ্চিত করতে হবে।
মন্ত্রী আজ রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এর সম্মেলনকক্ষে কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন।
পূর্তমন্ত্রী আরো বলেন, রাজউক সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে অনেক অভিযোগ রয়েছে। ফাইলের দীর্ঘসূত্রিতা, সেবা পেতে হয়রানি, অনিয়ম এবং অপ্রয়োজনীয় জটিলতা-এসব বিষয় আমাদের ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। এই অবস্থা পরিবর্তন করতেই হবে এবং এখনই করতে হবে।
রাজউক আয়োজিত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, সচিব মো: নজরুল ইসলাম ও রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো: রিয়াজুল ইসলাম।
মতবিনিময় সভায় রাজউক কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী আহম্মেদ সোহেল মনজুর বলেন, সরকার দুর্নীতি ও হয়রানিমুক্ত করে রাজউককে জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে চায়।
এছাড়া, সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজউক সদস্য মোহাম্মদ বশিরুল হক ভূঁইয়া, শেখ মতিয়ার রহমান, মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামসহ রাজউকের কর্মকর্তাবৃন্দ। মতবিনিময় সভার পূর্বে রাজউকের কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন চিফ টাউন প্ল্যানার মো: আশরাফুল ইসলাম
রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো: রিয়াজুল ইসলাম মতবিনিময় সভার শুরুতে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের এবং প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুরকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
#
আলমগীর/পবন/রফিকুল/কনক/শামীম/২০২৬/১৯৪০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৭৪৩
উজবেকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের সাথে
উজবেকিস্তান পার্লামেন্ট (অলি মজলিশ) এর স্পিকারের বৈঠক
তাসখন্দ (উজবেকিস্তান) ৪ মার্চ:
উজবেকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম আজ উজবেকিস্তান পার্লামেন্টের লেজিসলেটিভ চেম্বারের স্পিকার ইসমোলিভ নুরিদ্দিনের সাথে তাঁর কার্যালয়ে বৈঠক করেন। বৈঠকে বাংলাদেশ-উজবেকিস্তানের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।
উজবেকিস্তান পার্লামেন্টের স্পিকারের সাথে আলাপকালে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সদ্য সমাপ্ত নির্বাচন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকার গঠনের বিষয়ে তাকে অবহিত করেন। উজবেকিস্তানের রাষ্ট্রপতি শাভকত মির্জায়েভ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জ্ঞাপনের কথা উল্লেখ করে তা দু’দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব পর্যায়ের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরো গভীর ও সুদৃঢ় করবে বলে রাষ্ট্রদূত আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশ-উজবেকিস্তানের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতার বর্তমান অবস্থা ও অগ্রগতির বর্ণনা দিয়ে এ সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করতে রাষ্ট্রদূত সংসদ সদস্যদের মধ্যকার বোঝাপড়া ও আদান-প্রদানকে আরো সাবলীল ও ত্বরান্বিত করার ওপর জোর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি স্পিকারকে দু’দেশের সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ ভ্রমণের আমন্ত্রণ জানান।
স্পিকার ইসমোলিভ নুরিদ্দিন বাংলাদেশের নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানান এবং আগামীতে বাংলাদেশের স্পিকারের সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ স্থাপনের আগ্রহ প্রকাশ করেন। বাংলাদেশ-উজবেকিস্তান পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপকে পুনঃউজ্জীবীতকরণে তিনি রাষ্ট্রদূতকে পরামর্শ প্রদান করেন এবং বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যদেরকে উজবেকিস্তান ভ্রমণের জন্য আমন্ত্রণ করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশ-উজবেকিস্তানের মধ্যকার ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় ও অর্থনৈতিক বন্ধনের ওপর আলোকপাত করে তা আরো অর্থবহ ও ফলপ্রসূ করতে পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপের সদস্যগণ আগামীতে কার্যকরী ভূমিকা রাখবেন বলে স্পিকার অভিমত প্রকাশ করেন।
#
উজবেকিস্তান/পবন/রফিকুল/কনক/শামীম/২০২৬/১৮৪০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৭৪২
ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর
ঢাকা, ১৯ ফাল্গুন (৪ মার্চ):
দেশের পিছিয়ে পড়া ক্রীড়া ফেডারেশন এবং সম্ভাবনাময় খেলোয়াড়দের পাশে দাঁড়াতে দেশের বড় বড় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক।
আজ জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সম্মেলনকক্ষে দেশের শীর্ষস্থানীয় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতিনিধিদের সাথে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মাহবুব-উল-আলমের সভাপতিত্বে সভায় প্রতিমন্ত্রী দেশের ক্রীড়া অবকাঠামো ও উন্নয়ন নিয়ে সরকারের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বর্তমান সময়ে খেলাধুলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করেছেন। তৃণমূল পর্যায় থেকে খেলাধুলাকে এগিয়ে নিতে বিশেষ পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। তিনি আরো জানান, মন্ত্রণালয় এবং কর্পোরেট হাউজগুলো পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করলে দেশের ক্রীড়াঙ্গন বিশ্বমঞ্চে নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী খেলার মাঠ উন্নয়নে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। ঢাকার প্রায় ১০০টি ওয়ার্ডের মধ্যে প্রতি দুটি ওয়ার্ডের মাঝে ২-৩ বিঘা জমি অধিগ্রহণ করে একটি করে নতুন মাঠ তৈরি করা হবে। এই মাঠগুলোতে বয়স্ক ও প্রবীণদের হাঁটার জন্য ‘ওয়াক ওয়ে’ তৈরি করা হবে। তিনি বলেন, গ্রামীণ জনপদে সংস্কারহীন অবস্থায় পড়ে থাকা মাঠগুলো চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে উন্নয়ন করা হবে। এছাড়া দেশের ৬৪টি জেলায় ইনডোর সুবিধাসম্পন্ন ৬৪ স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, বর্তমান সময়ে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা ফুটসাল গেমের মাঠ তৈরির জন্য সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে। এছাড়া, দেশে একটি পূর্ণাঙ্গ স্পোর্টস ইন্ডাস্ট্রি গড়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে দেশেই আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া সামগ্রী উৎপাদিত হবে, যা বিদেশে রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে।
অনুষ্ঠানে কর্পোরেট প্রতিনিধিরা প্রতিমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং দেশের ক্রীড়া উন্নয়নে অংশীদার হওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
#
আলম/পবন/রফিকুল/কনক/শামীম/২০২৬/১৮০৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৭৩৯
বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সম্ভাব্য সাময়িক সংকট মোকাবিলায় সরকারের প্রস্তুতি গ্রহণ
ঢাকা, ১৯ ফাল্গুন (৪ মার্চ):
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার কারণে সারা বিশ্বে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে। উদ্ভুত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সভাপতিত্বে জরুরি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জানানো হয় জ্বালানির সম্ভাব্য উৎসসমূহ হতে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে ও সঠিক সময়ে জ্বালানির সরবরাহ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এর ফলে দেশের অভ্যন্তরে বর্তমান চাহিদা অনুসারে জ্বালানি সরবরাহে সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে/সরবরাহ হ্রাস পেতে পারে/সাময়িক সমন্বয় করার প্রয়োজন হতে পারে। যার প্রভাবে বিদ্যুৎ ও সারের উৎপাদন কিছুটা হ্রাস পেতে পারে। তবে পবিত্র মাহে রমজানে যাতে জনদুর্ভোগ না হয় সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনে নিম্নোক্ত নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে:
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সাধারণ জনগণের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও জ্বালানির ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে; সকল ধরণের আলোকসজ্জ্বা পরিহার করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে; ব্যক্তিগত যানবাহন ব্যবহার কমিয়ে পাবলিক বাহন ব্যবহারের অনুরাধ জানানো হয়েছে; খোলাবাজারে ডিজেল, পেট্রোল বিক্রয় না করার জন্য ব্যবসায়ীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তৎপর হওয়ার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে এবং জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, বর্ডারগার্ড বাংলাদেশকে জ্বালানি পাচার রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য ইতোমধ্যে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এছাড়া, বৈশ্বিক পরিস্থিতির নেতিবাচক প্রভাব ন্যূনতম পর্যায়ে রাখার জন্য মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে সম্ভাব্য সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। জ্বালানি সংগ্রহ স্বাভাবিক রাখতে সকল উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সাময়িক সংকট মোকাবিলায় সরকারের উদ্যোগসমূহ সফল করার জন্য জনগণকে ধৈর্যধারণ করে সর্বাত্মক সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সভায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব, বিপিসি’র চেয়ারম্যান, পিডিবি’র চেয়ারম্যান-সহ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
#
সাদেক/পবন/রফিকুল/কনক/শামীম/২০২৬/১৭১০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৭৩৫
শ্রমিক হয়রানিমুক্ত সেবা দেওয়ার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর
ঢাকা, ১৯ ফাল্গুন (৪ মার্চ):
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের দেশ এই বাংলাদেশ। কিন্তু তাদের কোনো সরকারি সহায়তা বা সেবা দিতে আমরা অনলাইন সিস্টেমের বদলে এখনো পুরাতন কাগুজে পদ্ধতি ব্যবহার করছি তা অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি বলেন, সরকারি কাজে কোনো প্রকার অবহেলা সহ্য করা হবে না। যার যা দায়িত্ব, তাকে তা সজাগ থেকে নিষ্ঠার সাথে পালন করতে হবে। এসময় তিনি প্রতিটি স্তরে ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করে শ্রমিক হয়রানিমুক্ত সেবা দেওয়ার জন্য কর্মকর্তাদের আহ্বান জানান।
মন্ত্রী আজ ঢাকায় শ্রম ভবনে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে সেবার মানোন্নয়নে ৩২টি শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রের সুবিধাভোগীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা দ্রুত তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন। একইসাথে তিনি শ্রম অধিদপ্তরের আইটি সেক্টরসহ চলমান সকল উন্নয়নমূলক কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন।
সভায় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আব্দুর রহমান তরফদার বলেন, শিশুশ্রম একটি জঘন্য অপরাধ, যা প্রতিরোধে আমাদের সবাইকে কাজ করতে হবে। তিনি শ্রমিকদের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে শ্রম পরিদর্শকদের কাজ করতে নির্দেশনা প্রদান করেন।
এসময় শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফাহমিদা আক্তার, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক ওমর মোঃ ইমরুল মহসিন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মোঃ মুনির হোসেন খান এবং শ্রম মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।
#
শরীফুল/বিবেকানন্দ/খাদীজা/মারুফা/আলী/আসমা/২০২৬/১৪২০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী নম্বর: ২৭৩৪
বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারির বৈঠক
ঢাকা, ১৯ ফাল্গুন (৪ মার্চ):
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সাথে আজ ঢাকায় মন্ত্রণালয়ে তাঁর অফিসকক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি S. Paul Kapur বৈঠক করেন।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান বাণিজ্য সম্পর্ক আরও জোরদার করা ও নতুন নতুন খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নে সহযোগিতাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এসময় বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী মোঃ শরীফুল আলম, বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন,বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) মোঃ আবদুর রহিম খান এবং অতিরিক্ত সচিব (ডাব্লিউটিও) খাদিজা নাজনীন উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে পৃথক কোনো আলোচনা হয়নি। এ চুক্তিটি ইতোমধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং এটি দুই দেশের মধ্যে একটি রাষ্ট্রীয় চুক্তি। ফলে এ নিয়ে নতুন করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কিছু নেই।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের পাঠানো অভিনন্দন বার্তায় বাণিজ্য ও সামরিক বিষয় সংক্রান্ত কিছু বিষয়াদি উল্লেখ থাকলেও, তা নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়নি। তিনি বলেন, সামরিক বিষয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত নয়। চুক্তিটি বাংলাদেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে কিনা-এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, যেকোনো আন্তর্জাতিক চুক্তিতে দুই পক্ষেরই কিছু দাবি থাকে। কিছু ধারা এক পক্ষের অনুকূলে থাকে, আবার কিছু ধারা অন্য পক্ষের জন্য সুবিধাজনক হয়। আলোচনার মাধ্যমে একটি ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতিতে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হয়। এ চুক্তিকে এখনই পুরোপুরি নেতিবাচক বা ইতিবাচক হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি একটি বাস্তবতা এবং ভবিষ্যতে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারের অনেক ধারা কাজে লাগানো যাবে। মন্ত্রী আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ আদালতের ট্যারিফ সংক্রান্ত রায়ের পর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
চুক্তি সংশোধনের বিষয়ে তিনি বলেন, কোনো চুক্তিই চূড়ান্ত নয়। প্রতিটি চুক্তিতে সংশোধন ও পুনরায় আলোচনার সুযোগ থাকে। ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে আলোচনা করে পরিবর্তন আনা সম্ভব। ভিসা বন্ড প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিষয়টি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেখবে। সরকার চায় দুই দেশের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা যেন সহজে যাতায়াত করতে পারেন এবং কোনো বাধার মুখে না পড়েন। নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইতিবাচক আশ্বাস পাওয়া গেছে বলেও জানান মন্ত্রী।
তিনি বলেন, কিছু নন-ট্যারিফ বাধা দূর করা গেলে বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ আরও বাড়বে। এতে দেশটি বিদেশি বিনিয়োগের জন্য আরও আকর্ষণীয় হবে। তিনি আরও জানান, এসব বাধা দূর হলে যুক্তরাষ্ট্রের উন্নয়ন সহায়তা ও অর্থায়ন কার্যক্রমেও বাংলাদেশ আরও সহজে অন্তর্ভুক্ত হতে পারবে। সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চুক্তি নিয়ে অতিরিক্ত উদ্বিগ্ন হওয়ার প্রয়োজন নেই। সরকার বিষয়টি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছে এবং দেশের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
#
কামাল/বিবেকানন্দ/খাদীজা/মারুফা/সুবর্ণা/সাঈদা/আলী/মিজান/২০২৬/১৩০০ ঘণ্টা